এইমাত্র পাওয়া

প্রাথমিকে ৬১ হাজার শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হবে

আগামী এক বছরে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৬১ হাজার ১৬৬ জন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির প্রথম যৌথ বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়। সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গত ৪ আগস্ট শুরু হওয়া এই পর্যালোচনা সভায় কর্মসূচিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা ৫টি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), জাপান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (জাইকা), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৃহস্পতিবার ছিল এর সমাপনী সভা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন।

যৌথ বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় এ কর্মসূচিতে গত এক বছরে হাতে নেওয়া বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হয়। এতে খাতওয়ারি পর্যালোচনা, ষাণ্মাসিক পর্যালোচনা, হিসাব নিরীক্ষণ পর্যালোচনা, পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান এবং বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও পর্যালোচনা করা হয়।

যৌথ বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় জানানো হয়, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি যথাযথ গতিতে এগিয়ে চলেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) কর্মসূচিতে পূর্ত, অবকাঠামো ও প্রকৌশলগত সহযোগিতা করছে।

পর্যালোচনা সভায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসনিক বিভাগের আলোচনায় জানা যায়, এ কর্মসূচির আওতায় চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরে ৬১ হাজার ১৬৬ জন শিক্ষকের পদ সৃজন করা হবে। এ সংক্রান্ত পরিকল্পনা ইতিমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সমাপনী বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি সবার সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই হলো প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিশুর মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।

সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর পক্ষে আকিকো হানায়া আলোচনার প্রমাণপত্রে স্বাক্ষর করেন।

পাঁচ বছর মেয়াদি চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের নেওয়া সর্ববৃহৎ উদ্যোগ। ২০১৮ সালের জুলাই মাস থেকে কর্মসূচিটি শুরু হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.