নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ফেব্রুয়ারির দিকে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এটি একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। কোভিড-১৯ সারা বিশ্বকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে।
মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে এ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভাইরাসটি অভিশপ্ত করে তুলেছে। বর্তমান প্রজন্মকে বিপর্যস্ত করার সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মকেও ধ্বংসের মুখোমুখি করতে যাচ্ছে। কারণ, দীর্ঘ ১০ মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ পরিস্থিতিকে একটি ‘প্রজন্ম বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।জাতিসংঘের হিসাবমতে, বিশ্বের ১৬০টি দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ১০০ কোটি শিক্ষার্থীর পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। অন্তত চার কোটি শিশুর জীবন থেকে প্রাক-প্রাথমিক স্কুল হারিয়ে গেছে।
আবার ইউনিসেফের তথ্যমতে, বিশ্বে ৫১ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়ালেখার বাইরে রয়েছে। পড়ালেখার মধ্যে আছে মাত্র ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর বিশ্বজুড়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর বসবাস করা অঞ্চলগুলোয় শিক্ষার্থীদের ৭২ শতাংশ দূরশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত।
উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের দরিদ্র পরিবারগুলোর স্কুল শিক্ষার্থীদের ৮৬ শতাংশ দূরশিক্ষা থেকে বঞ্চিত।শিক্ষাঙ্গনকে তছনছ করে দেয়া এ করোনা ঢেউ বাংলাদেশেও টর্নেডোর মতো আঘাত হেনেছে। ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
ফলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা এবং এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করতে হয়েছে। আর প্রাক-প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অন্যসব শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি।এ অবস্থায় মাধ্যমিক পর্যায়ে অটোপ্রমোশন দেয়া হয়েছে, যদিও ‘অ্যাসাইমেন্ট’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ‘অ্যাসাইমেন্ট’ প্রক্রিয়ার সফলতার বিষয়টি মূল্যায়নের দাবি রাখে।
ৎকারণ, এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমাদের বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা খুব একটা পরিচিত নন। তবে একেবারে কিছুই না হওয়ার চেয়ে এটি একটি ভালো পদক্ষেপ ছিল নিঃসন্দেহ।বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে ‘অনলাইন’ ক্লাস চালু করে।
আবার সরকারিভাবেও রেডিও ও টেলিভিশনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়। ব্র্যাকের এডুকেশন প্রোগ্রামের গবেষণামতে, দেশে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের ৫৬ শতাংশ অর্থাৎ ১ কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার ছাত্রছাত্রী টেলিভিশন ও অনলাইন ক্লাসের বাইরে রয়েছে।বিআইজিডি’র গবেষণায় দেখা যায়, মাত্র ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী রেডিও-টেলিভিশনের শিক্ষা প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছে; কিন্তু তাদের বেশিরভাগই তেমন একটা উপকৃত হতে পারেনি। আর ইন্টারনেট প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছে মাত্র এক শতাংশ শিক্ষার্থী।
ফলে শহর বা নগরকেন্দ্রিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছে।তাদের সঙ্গে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনলাইন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের একটা বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে। এ শিক্ষা বৈষম্য সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে জাতি গঠনের ক্ষেত্রে। আর সমাজের সর্বক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নেতিবাচক প্রভাব জাতির জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য বিদ্যালয়ের কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরি। পরিবারের বাইরে বিদ্যালয়ে শিশুরা মেধা, মননশীলতা ও বেড়ে ওঠার পরিবেশ পায়।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তারা শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে নৈতিকতা, আচরণ, সামাজিক মূল্যবোধ, সাহসিকতা, মনোবল, প্রতিযোগিতার মনোভাব, জীবনে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখা ইত্যাদি শিখে থাকে। কাজেই স্কুলে না যেতে পারলে এসব থেকে শিশুরা বঞ্চিত হয়ে ভারসাম্যহীনভাবে বেড়ে ওঠে সমাজের বোঝা হয়ে পড়বে
। অন্যদিকে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়বে।সমাজে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম বৃদ্ধি পাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেছেন, ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।
২০০৯ সাল পর্যন্ত পঞ্চম শ্রেণির আগেই ৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ত। এটি ২০১৮ সালে ১৮ শতাংশে নেমে এসেছিল। এ সংখ্যা আবারও বেড়ে যাবে। এক গবেষণায় এসেছে, দেশে প্রতি দশজনে একজন মেয়ে শিক্ষার্থী আর স্কুলে ফিরে নাও আসতে পারে।অন্যদিকে দীর্ঘদিন বাসায় বসে থেকে শিশুদের মনস্তত্ত্বে চাপ পড়ছে।
গবেষকরা বলেছেন, ৯১ শতাংশ শিশু-তরুণ মানসিক চাপ ও শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। তাদের পড়াশোনা কমেছে ৮০ শতাংশ। আগের ১০ ঘণ্টার জায়গায় এখন দুই ঘণ্টা ব্যয় হচ্ছে পড়ালেখায়। এতে তরুণরা বিপথগামী হয়ে পড়ছে। তারা ইন্টারনেটে অধিকাংশ সময় ব্যয় করছে।ফলে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হচ্ছে অনেকে।
আবার জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর সবচেয়ে কার্যকর প্রচারমাধ্যম ইন্টারনেট। ইতোমধ্যে কিছু তরুণ সামাজিক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, রাজনৈতিক সন্ত্রাস ইত্যাদিতে তারা ব্যবহৃত হচ্ছে। এ সুযোগে সমাজে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বাড়ছে। অন্যদিকে, স্কুল না থাকায় শিশুদের খেলাধুলার সুযোগ বন্ধ থাকার কারণে তাদের যথাযথ শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার ফলে একটি অসুস্থ বা প্রতিবন্ধী প্রজন্ম গড়ে ওঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।শিক্ষা ও শিক্ষার্থীর এমন ধ্বংসোন্মুখ অবস্থায় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদে শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নেয়া এখন সবচেয়ে অগ্রাধিকারে বিষয়।
সেই সঙ্গে ১৯১টি দেশের শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গবেষণা পরিচালনা করে স্কুল খোলার পক্ষে মত দিয়েছে ‘ইউনিসেফ’। এক বৈশ্বিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, স্কুল খোলা বা বন্ধ যাই থাক না কেন, তার সঙ্গে করোনা সংক্রমণের কোনো সম্পর্ক নেই।সংস্থাটির প্রধান রবার্ট জেনকিসন বলেন, ‘তথ্য-প্রমাণ বলছে, স্কুলগুলো এ মহামারীর প্রধান চালিকাশক্তি নয়। স্কুলগুলো থেকে ব্যাপক মাত্রায় সংক্রমণ ছড়ানোর খুব কমই তথ্য আছে এবং এ অবস্থায় স্কুলগুলো আবারও খুলে দেয়াকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় আরও একটি সামাজিক সমস্যা নীরবে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। দেশে ৪০ হাজার কিন্ডারগার্টেনে কর্মরত প্রায় ৮ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ প্রায় অর্ধকোটি মানুষ রয়েছে (যুগান্তর, ১৯.১২.২০)। এর সঙ্গে ব্যক্তিমালিকানাধীনসহ ৬০ হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।এর ফলে প্রায় ১১ লাখ শিক্ষক বেকার হয়ে পড়েছেন।
ফলে তাদের ২০ শতাংশ পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছেন। তাদের কেউ কেউ রাজমিস্ত্রির জোগালি, ইটভাটার শ্রমিক, মাঝি, দিনমজুর, ফেরিওয়ালা ও অটোরিকশাচালক হিসেবে কাজ করে দিন গুজরান করছেন।এ শিক্ষকদের মধ্যে প্রায় দুই লাখ নন-এমপিও শিক্ষক রয়েছেন। তারা সরকারের কাছ থেকে সর্বমোট ৫ হাজার টাকা করে জনপ্রতি প্রণোদনা পেয়েছেন। বাকি প্রায় নয় লাখ শিক্ষক এ পর্যন্ত কিছুই পাননি।
কিন্তু সরকার অন্য প্রায় সব খাতে যথেষ্ট প্রণোদনা দিয়েছে। শিল্প, সেবা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, উন্নয়ন খাত, রফতানি খাত, কৃষি খাত ইত্যাদিতে প্রণোদনাদেয়া হলেও শিক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রণোদনা দেয়া হয়নি।
অথচ একটি জাতির যে কোনো ধরনের উন্নয়নের শুরুই হল শিক্ষা দিয়ে। আর শিক্ষার পেছনের কারিগর হল শিক্ষকসমাজ। সমাজের সম্মানিত, বিনয়ী ও আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন এ সম্প্রদায়ের পক্ষে কথা বলার বা আন্দোলন করার লোকের বড় অভাব এ দুর্দিনে।অবশ্য শিক্ষক সমাজের একটি অংশ সরকারি হওয়ায় তাদের বেতন-ভাতাসংক্রান্ত কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা নেই। জানা যায়, এরই মধ্যে প্রায় ৫০০ বেসরকারি স্কুল বিক্রি হতে যাচ্ছে।
আরও অনেক স্কুল বন্ধের পথে রয়েছে। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষাঙ্গনে একটি বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।ইতোমধ্যে অটোপ্রমোশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে এ শিক্ষার্থীরা তাদের বর্তমান শ্রেণির পাঠের প্রায় ৬০ শতাংশ ঘাটতি নিয়েই উপরের ক্লাসে উঠে গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের সাবেক অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, ‘প্রতিটি শ্রেণিতে যা শেখার কথা, তা শিখিয়েই শিক্ষার্থীদের উপরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা উচিত।
না হলে শিখনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হবে’ (প্রথম আলো, ২১.১০.২০)।দেশের শিক্ষাঙ্গনের এহেন পরিস্থিতিতে আমাদের এখন অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষার ব্যাপারে, শিশু-কিশোরদের বিষয়ে এবং শিক্ষকদের বাঁচিয়ে রাখার ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে। দেশকে একটি সম্ভাব্য ‘প্রজন্ম বিপর্যয়ের’ হুমকি থেকে রক্ষা করতে হলে অতিসত্বর বিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া প্রয়োজন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কথা মাথায় রেখে কিছু পরামর্শ দেয়া হল-ক. দেশে প্রায় ১৬৫ দিন স্কুল-কলেজ ছুটি থাকে। সেই ছুটি কমিয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষকে (২০২১) দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথম তিন মাস ২০২০ শিক্ষাবর্ষের অসমাপ্ত সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পাঠ সম্পন্ন করে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতাগুলো কাটাতে হবে।
খ. বাকি নয় মাস নতুন বছরের সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোয় পাঠদানের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। এজন্য সপ্তাহে ছয়দিনই পূর্ণদিবস ক্লাস কার্যক্রম চালাতে হবে। শুধু দুই ঈদ ও পূজার দিন ছুটি রেখে বাকি সব ছুটি বাতিল করা যেতে পারে।
গ. সামাজিক দূরত্ব নিশ্চায়নের জন্য প্রতিটি সেকশনের ছাত্রদের প্রয়োজনে দুই ভাগ করে সপ্তাহে তিনদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। অর্থাৎ প্রতিভাগ ছাত্রছাত্রী সপ্তাহে তিনদিন ক্লাস করবে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন ক্লাসও চালাতে হবে যেন অন্যভাগ শিক্ষার্থী বাসায় থেকেও সেই ক্লাসে যোগদান করতে পারে। তবে এ পদ্ধতিতে বিষয় কমিয়ে বাংলা, ইংরেজি, অঙ্ক, বিজ্ঞান, আইসিটি ইত্যাদি অতিগুরুত্বপূর্ণ বিষয় রাখা যেতে পারে।
ঘ. স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গেটে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে শরীরের তাপমাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
ঙ. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে হবে। গতানুগতিক মুখস্থ বিদ্যার মাধ্যমে যে পরীক্ষা পদ্ধতি, তাতে সংস্কার আনতে হবে। এর পরিবর্তে গ্রুপওয়ার্ক এবং ব্যক্তিগত অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করে এ বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।সারা দেশে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জাতির সমূহ ক্ষতি হতে চলছে। দেশের অন্য সবকিছু খোলা রয়েছে।
জাতিসংঘ, ইউনিসেফ ইত্যাদি বৈশ্বিক সংস্থা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রগণ্য হিসেবে বিবেচনা করছে। কাজেই আমাদেরও উচিত হবে অতিদ্রুত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে দেশ ও জাতিকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করা।
লেখক : একটি বেসরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
