নিজস্ব প্রতিনিধি।।
নববর্ষের প্রথম দিন খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১১ লাখ শিক্ষার্থীকে নতুন বই দেওয়া হবে।
তবে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় গত বছরের মতো এবারও ‘বই উৎসব’ হবে না। উদ্বোধন হবে ভার্চুয়ালি।
উদ্বোধনের পরে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে পাঠ্যপুস্তক। এর মধ্যে থানা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে গেছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, খুলনা জেলায় বাংলা ও ইংরেজি ভার্ষণ মিলিয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১ হাজার ৭২৭টি। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১ হাজার ১৫৯টি। এছাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন ৫৬৮টি এবং মাদ্রাসা রয়েছে ১৭১টি।
এবার থানা ও উপজেলা অফিস থেকে ১ হাজার ৭২৭টি সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৪৬৭টি বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হবে।
এর মধ্যে খুলনা মহানগরীতে ৩ লাখ ২১ হাজার ৩৩টি, ডুমুরিয়া উপজেলায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৮০টি, ফুলতলা উপজেলায় ৬৩ হাজার ৪২০টি, রূপসা উপজেলায় ৮৫ হাজার ৬৫০টি, দিঘলিয়া উপজেলায় ৬২ হাজার ৯৬৪টি, তেরখাদা উপজেলায় ৭২ হাজার ৯২৪টি, পাইকগাছা উপজেলায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৯০টি, কয়রা উপজেলায় ৯২ হাজার ৪০৬টি, দাকোপ উপজেলায় ৬৪ হাজার ৫০টি ও বটিয়াঘাটা উপজেলায় ৮৬ হাজার ২৫০টি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে। তবে গত বছরের থেকে এবার বই বিতরণে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বই বিতরণ করা হবে।
খালিশপুর আল-ফালাহ্ একাডেমির প্রধান শিক্ষক রমজান আলী বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তক পেয়েছি। শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে বই বিতরণ করা হবে। এজন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।’
খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম সিরাজুদ্দোহা জানান, এর মধ্যে খুলনায় প্রাথমিকের শতভাগ বই এসে পৌঁছেছে। বছরের প্রথম দিনই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে পারবো। সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে বিতরণ করা হবে। বিদ্যালয়ের প্রধানদের এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
