বরিশালে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) উপাধ্যক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহকারী মো. মাইনুদ্দিন। তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. মহিউদ্দিন।
ওই মামলায় রোববার মাইনুদ্দিনকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কবির উদ্দিন প্রামাণিক তাকে কারাগারে পাঠান। মাইনুদ্দিন নগরীর জর্ডন রোড এলাকার মো. খোকনের ছেলে।
এসআই মো. মহিউদ্দিন জানান, শনিবার দুপুরে আইএইচটি’র উপাধ্যক্ষ শুভংকর বাড়ৈকে কর্মস্থল থেকে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিজের মোটরসাইকেলে করে রওয়ানা হন প্রধান সহকারী মাইনুদ্দিন। পথিমধ্যে নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন সড়কের সামনে মোটরসাইকেল থামান গোয়েন্দা পুলিশের নেতৃত্বাধীন একটি দল।
পরে মোটরসাইকেলের সিটের নিচ তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ৪০ পিস ইয়াবা। স্থানীয় লোকজনের সামনে ওই ইয়াবা উদ্ধারের পর উপাধ্যক্ষ শুভংকর বাড়ৈ এবং প্রধান সহকারী মো. মাইনুদ্দিনকে নিয়ে যাওয়া হয় নগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে। সেখানে ওই দুইজনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর বেড়িয়ে আসে প্রকৃত রহস্য।
ডিবির ওসি উজ্জল কুমার দে জানান, আইএইচটি’র প্রধান সহকারী মো. মাইনুদ্দিন নিজে ইয়াবাসেবী এবং বিক্রেতা। উপাধ্যক্ষ শুভংকর বাড়ৈকে মাইনুদ্দিন নিজেই বাসায় পৌছে দেওয়ার আগ্রহ দেখালে উপাধ্যক্ষ তাতে রাজি হন এবং মাইনুদ্দিনের মোটরসাইকেলে বাসার উদ্দেশশে রওয়ানা হন। তবে মোটরসাইকেলে থাকা ইয়াবার বিষয়ে উপাধ্যক্ষ কিছুই জানতেন না। এ কারণে উপাধ্যক্ষকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রধান সহকারী মাইনুদ্দিনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
