এইমাত্র পাওয়া

প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব আবুল কাশেম এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নিতীর অভিযোগ

ম‌ো: ম‌োজাহ‌িদুর রহমান।।

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার খারাবাদ বাইনতলা স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব আবুল কাশেম এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নিতীর অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনের অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায় সরকারী নিয়ম নিতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করেই কোচিং বানিজ্য চালিয়ে আসছেন প্রিন্সিপাল নিজেই। শিক্ষার্থী ও দায়িত্বরত সিংহভাগ অংশই মাস্ক ব্যবহার থেকে বিরত।কোচিং চলাকালীন দেখা যায়। বিন্দু মাত্র দূরত্ব বজায় না রেখে, অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মুখে নেই মাস্ক, খোদ প্রিন্সিপালের মুখেও ছিলোনা।সাংবাদিকদের ক্যামেরা দেখে পকেট থেকে একটি মাস্ক বের করে ঠিকই তবে সেটিও ছিল অব্যবহারযোগ্য।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকার পরো শিক্ষার্থীদের নিকট হতে তিন মাসের বেতন ও অন্যান্য ফি আদায় করা হচ্ছে।আদায়কৃত অর্থ শুধুমাত্র প্রিন্সিপাল ও কমিটি গ্রহণ করে। অ্যাসাইনমেন্ট এর কাজে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ করার কথা থাকলেও তার জন্য কোন শিক্ষকই অংশগ্রহণ নেই। জানা যায়, কলেজের আইসিটি প্রভাষক প্রিন্সিপালের সাথে সম্পর্ক ভাল না থাকায় বেতন করান না প্রায় ১০ বছর।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পশ্চিম পাশে কলেজের ৭বিঘা জায়গা নিজে লিজ দিয়ে প্রিন্সিপাল নিজে খাচ্ছে যার কোন রেজুলেশন নাই। ২০১৮ সালে এস এস সি ও জে এস সি পরীক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক কোচিং করিয়ে অনেক অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। অধ্যক্ষ নিয়োগ পেতে চাকুরীর অভিজ্ঞতার প্রয়োজন ১২ বছর। নিয়োগ কালীন তার ৩ মাস অভিজ্ঞতা কম ছিল। নতুন ভবনের পাশ থেকে তিনটি গাছ গত বছর ৭০০০০ হাজার টাকার বিক্রয় করে ফেলে কোন নিয়ম না মেনেই।

চেয়ারম্যান কে হাত করে বারবার এডহক কমিটি করেছে। যেখানে চেয়ারম্যান এর পাস এইচ এস সি। আর কমিটির সভাপতি হতে প্রয়োজন বি এ পাস। বোর্ডে গিয়ে ভুয়া বিএ পাস বলে সভাপতি করে এই প্রিন্সিপাল।ফেব্রুয়ারিতে রেজষ্ট্রেশনের কথা বলে ৮০০ শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে ৬০ টাকা করে নিয়েছে।এব্যপারে প্রিন্সিপালের সাথে কথা হলে তিনি সকল কিছু তাৎক্ষনিক অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.