।।মুহাম্মদ জয়নুল আবেদিন ।।
বদলে যাচ্ছে পরীক্ষা পদ্ধতি,আসছে নতুন শিক্ষাক্রম সব স্তরেই কমছে পরীক্ষা।
১।পরীক্ষা পদ্ধতি দক্ষতাভিত্তিক ধারা বাহিক মুল্যায়ন
২।শুরু হবে ২০২২ খ্রীঃ থেকে।
৩। করোনা সংক্রমন বিশ্ব জুড়ে নতুন ধ্যান ধারনার জন্ম দিয়েছে।
৪। নবম শ্রেণি থেকে বিজ্ঞান,ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের বিভাজন উঠে যাচ্ছে।
৫।একাদশ ও দ্বা্দশ শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন শুরু হবে।
৬। প্রথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কারিকুলাম এক সঙ্গে পরিবর্তন ও সমন্বয় করা হবে।
৭। ২০২২ সালে ১ম শ্রেণি ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষাধারা নতুন কারিকুলাম ও বই পাবে।
৮। নতুন কারিকুলাম চুড়ান্ত হবে ২০২১ সালে।
৯। ২০২৩ সালে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণি এবং ২০২৪ সালে ৫ম শ্রেণি পাঠ্যবইও পরিবর্তন করা হবে।
১০। ২০২৩ সালে ৭ম শ্রেণি,৯ম ও একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবই পরিবর্তন হবে।
১১। ২০২৪ সালে ৮ম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আনা হবে।
১২।নতুন কারিকুলামের ফলে পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা এবং নম্বর কমে আসবে।
নতুন মুল্যায়ন পদ্ধতির ধরনঃ
১। ধারাবাহিক মূল্যায়ন( শ্রেণিকক্ষে মূল্যায়ন ও বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে সামষ্টিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থী পরবর্তী শ্রেণিতে উর্ত্তীণ হবে।
২। শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষা দিতে হবে দশম শ্রেণির পড়াশুনা শেষ করে।
৩। শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচীর আলোকেই এই পরীক্ষা হবে।
৪। সবাইকে ১০ টি বিষয় পড়তে হবে।
৫। এর মধ্যে ৫ টি বিষয় বাংলা, ইংরেজি,গনিত, বিজ্ঞান , সামাজিক বিজ্ঞানে ৫০ শতাংশ পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন হবে। বাকী ৫ টি বিষয় জীবন ও জীবিকা,ডিজিটাল প্রযুক্তি, ভালো থাকা , ধর্ম শিক্ষা ও শিল্প ও সংস্কৃতি বিষয়ের পুরোটাই ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে।
৬। একাদশ ও দ্বা্দশ শ্রেণিতে ৩০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং ৭০ শতাংশ পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন হবে।
৭। নতুন কারিকুলাম অনুসারে প্রাক প্রাথমিক থেকে শুরু করে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয় গুলোতে কোন পরীক্ষাই থাকবে না। এসব শ্রেণিতে শিশুদের ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে। কোন বার্ষিক পরীক্ষা হবে না।
৮। প্রাক প্রাথমিক ১ম,২য় শ্রেণিতে ২০২২ সাল ৩য় শ্রেণিতে ২০২৩ সাল থেকে নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হবে।
৯। ৪র্থ ও৫ম শ্রেণিতে ৭০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং বার্ষিক পরীক্ষা হবে ৩০ শতাংশ নম্বরের।
১০। এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হবে ৪র্থ শ্রেণিতে ২০২৪ এবং ৫ম শ্রেণিতে ২০২৫ সালে।
১১। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে ৬০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং ৪০ শতাংশ বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন।
১২। ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে ২০২২ সালে এবং ৮ম শ্রেণিতে ২০২৩ সালে এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমে ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা রাখা হয়নি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
