এইমাত্র পাওয়া

টিউশন ফি ছাড়া অন্য কোনো ফি নেওয়া যাবেনা

অনলাইন ডেস্কঃ
মহামারীর মধ্যে বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো শুধু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি নিতে পারবে। এর বাইরে টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ এবং অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত কোনো ফি নেয়া যাবে না। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

কোভিড ১৯-এর কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতনভাতা টিউশন ফি নিচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অভিভাবকদের টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।

এমতাবস্থায় এ বিষয়ে আজ স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে মাউশি। এতে বলা হয়েছে, সার্বিক বিষয়গুলো বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো (এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন) শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শুধু টিউশন ফি নিতে পারবে।

কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট, টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ কোনো ফি নিতে পারবে না। কোনো প্রতিষ্ঠান নিয়ে থাকলে তা ফেরত দেবে অথবা তা টিউশন ফির সঙ্গে সমন্বয় করবে। এ ছাড়া অন্য কোনো ফি যদি অব্যয়িত থাকে, তা একইভাবে ফেরত দেবে বা টিউশন ফির সঙ্গে সমন্বয় করবে।

একই সঙ্গে করোনা মহামারীর মধ্যে যেসব অভিভাবকের আয় কমে গেছে বা যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের সন্তানদের টিউশন ফি আদায়ের ক্ষেত্রে ‘বিশেষ বিবেচনার’ আহ্বান জানিয়েছে মাউশি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো অভিভাবক চরম আর্থিক সংকটে পড়েন, তা হলে তার সন্তানের টিউশন ফির বিষয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বিশেষ বিবেচনায় নেবেন। কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন কোনো কারণে ব্যাহত না হয় সে বিষয়টি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যত্নশীল হতে হবে।

মাউশি আরও বলেছে, ২০২১ সালের শুরুতে যদি কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় তা হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন, উন্নয়ন ফির নামে অর্থ নিতে পারবে না। অর্থাৎ যে টাকা নির্দিষ্ট খাতে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করা যাবে না, সেই টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেবে না।

তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগের মতো সব ধরনের ‘যৌক্তিক’ ফি নেয়া যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যু হয় দেশে। ওই দিন থেকে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। লকডাউনও দেয়া হয়।

পরিস্থিতির উত্তরণ না হওয়ায় এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করেছে সরকার।

আর অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে।
শিক্ষাবার্তা/ বিআ


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.