এইমাত্র পাওয়া

উচ্চতর স্কেল পেলেন ২১ জনপ্রশাসনিক কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্ক :

অবশেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রাপ্য উচ্চতর গ্রেড দেয়া হয়েছে। সচিবের নির্দেশে গত রোববার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

এর আগে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আট মাস যাবত তাদের নথি অনুমোদন না করে আটকে রেখেছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

এ বিষয়ে ‘টাইম স্কেল আটকে রাখায় ক্ষুব্ধ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা’ শিরোনামে ২১ অক্টোবর যুগান্তরে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ অসন্তোষ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন দ্রুত এ নথি নিষ্পত্তি করে আদেশ জারির নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ অক্টোবর উচ্চতর স্কেলের মঞ্জুরি সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মো. এনামুল হক।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সন্তোষ প্রকাশ করে সচিবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা বলেন, যেসব নেতিবাচক কর্মকর্তার কারণে তাদের প্রাপ্য উচ্চতর স্কেলের মঞ্জুরি পেতে বিলম্ব হয়েছে তারা এখন কী ব্যাখ্যা দেবেন। বাস্তবে তারা যৌক্তিক কোনো ব্যাখা দিতে পারবেন না। সঙ্গত কারণে এসব কর্মকর্তার বিষয়ে নিশ্চয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আরও সজাগ হবেন।

প্রসঙ্গত, নিয়মানুযায়ী একই পদে চাকরির চার বছরে একটি টাইম স্কেল বা উচ্চতর স্কেল এবং চাকরির ১০ বছরে পরবর্তী সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে জারি করা স্পষ্টিকরণ পত্রে বলা হয়েছে, চাকরি সন্তোষজনক হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি দিতে হবে। কিন্তু ভুক্তভোগীদের অভিযোগ মতে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২১ জন কর্মকর্তা আটমাস যাবত এ সুবিধাপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত।

এ জন্য অনেকে লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো। স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেয়ার কথা থাকলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়। এরপর একটি মামলার রেফারেন্স দিয়ে তাদের প্রাপ্য উচ্চতর বেতন স্কেল আটকে দেয়া হয়।

যদিও ওই মামলার সঙ্গে তাদের টাইম স্কেলের কোনো সম্পর্ক নেই। একই নিয়োগবিধির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা প্রাপ্য উচ্চতর গ্রেড পেলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আইনি জটিলতায় ফেলে হয়রানি করা হয়।সুত্র যুগান্তর


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.