এইমাত্র পাওয়া

শিশুদের কুরআন শরিফ শিক্ষা আনন্দদায়ক হোক

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বাংলাদেশে যাদের দুটা ছেলে সন্তান আছে তাদের একজনকে স্কুলে অপরজনকে মাদ্রাসায় পাঠানো হয়। অপরদিকে দেখা যায়, অনেক দম্পতির ছেলেসন্তান হচ্ছে না। তারা মানত করে তাদের ছেলে সন্তান হলে হাফেজ বানাবে। আবার অনেকের তিন-চারটি কন্যাসন্তান হওয়ার পর একটা ছেলে সন্তান জন্ম হয়।

তারাও ভেবে থাকে এটাকে মাদ্রাসায় পড়াবেন। প্রকৃতপক্ষে তারা নিয়ত সঠিক না রেখেই বাচ্চাদের কোরআন শিখতে মক্তব বা হিফজখানায় পাঠাচ্ছেন। এখানেই আসল সমস্যা। আমরা মুসলামান হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের কোরআন শিক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বিভিন্ন পর্যায়ে বাচ্চাদের কোরআন শিখানো হয়।

বাদ ফজর মক্তবে। নুরানি মাদ্রাসায়। অথবা যারা কোরআন শরিফ মুখস্থ-আত্মস্থ বা কণ্ঠস্থ করতে আগ্রহী তাদের জন্য হিফজখানায়। এই কোরআন মাজিদ হিফজ করানোর প্রক্রিয়ার মাঝে বাচ্চারা অনেক সময় শিখতে চায় না। বাসায় চলে আসে, পলায়ন করে।

কিংবা শিক্ষকদের জোর-জুলুমের শিকার হয়ে থাকে। আমরা জানি, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মারধর নিষিদ্ধ করেছেন। তার পরও কিছু একগুয়ে গার্ডিয়ানদের জন্যই সব বিপত্তি বাধে। তাদের বাচ্চার সঠিক জ্ঞান-মেধা না থাকা সত্ত্বেও বাচ্চাদের জোর করে হিফজখানায় ভর্তি করেন। আর টিচারদের বলে থাকেন, রক্ত-মাংস আপনার আর হাড্ডি আমার। এরপর টিচার য়খন মারেন, আবার অভিভাবকই রেগেমেগে হাঙ্গামা সৃষ্টি করেন।

শুধু কোরআন শরিফ মুখস্থ করলেই হবে না। কোরআনের ধারক-বাহক হতে হবে। যারা ভেবে থাকেন বাচ্চাদের মারধর করেই হাফেজ বানাতে হবে তাদের ধারণাটি ভুল। যাদের মেধা আছে তারা পুরো কোরআন শরিফ মুখস্থ করবে। আর যাদের কম মেধা তাদের নূরানি মাদ্রাসায় পড়ান। অন্তত কোরআন সহিহভাবে পড়া শিখুক। l লেখক :ইসলামি গবেষক


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.