এইমাত্র পাওয়া

চবির সাবেক সহকারী প্রক্টরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

নিউজ ডেস্ক।।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। চবির সমাজতত্ত্ব বিভাগের এ শিক্ষক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর হত্যা মামলার আসামি হয়ে জেল খেটে আলোচনায় এসেছিলেন।

আদালতে আরজি জমা দেওয়ার দুই বছর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গত বৃহস্পতিবার আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে আদালত থেকে পাঠানো রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ সম্পর্কিত নথি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

পাঁচলাইশ থানার ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়া জানান, গত সপ্তাহে চবি শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা রেকর্ডের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পান। এর পর সেটি নিয়মিত মামলার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্লোবাল জার্নাল অব হিউম্যান সোশ্যাল সাইয়েন্স : সোসিওলজি অ্যান্ড কালচার নামে এক জার্নালে ‘রিলিজিয়াস পলিটিকস অ্যান্ড কমিউনাল হারমনি ইন বাংলাদেশ : এ রিসেন্ট ইমপাস’ শিরোনামে আনোয়ার হোসেনের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল বিভাগীয় সভাপতি বরাবরে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির আবেদনে সেই প্রবন্ধ সংযুক্ত করেন। এর পর ওই প্রবন্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন ‘বিতর্কিত’ বিষয় সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ওই প্রতিবেদনের সূত্র ধরে করা মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, প্রকাশিত প্রবন্ধে একাধিকবার শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হলেও একবারও তিনি জাতির জনক কিংবা বঙ্গবন্ধু শব্দটি ব্যবহার করেননি। এতে জাতির জনকের প্রতি আনোয়ার হোসেনের তাচ্ছিল্য প্রকাশ পেয়েছে।

২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ খুন হলে তার মা জাহেদা আমিন চৌধুরী ২৪ নভেম্বর সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন এবং কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাসহ ১০ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। দিয়াজ হত্যা মামলার আসামি আনোয়ার ২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন। জেল থেকে বের হয়ে আনোয়ার আবারও শিক্ষকতায় ফেরেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.