এইমাত্র পাওয়া

স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস চালুর সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক।। 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সরকার। সেই পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে ইলেকট্রিক বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে একগুচ্ছ কঠোর ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলন করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি জানান, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে ইলেকট্রিক বাস চালু করবে সরকার। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেবে, তারা শুল্কমুক্তভাবে বাস আমদানির সুযোগ পাবে।

এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস অনলাইন-অফলাইনের বিষয়ে আগামী রোববার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাদের সরকারি কার্যক্রমে ব্যবহৃত গাড়ির জন্য মাসিক বরাদ্দ করা জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে সরকারি গাড়ির ক্ষেত্রেও মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ হ্রাস করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু যানবাহনেই নয়, বরং সরকারি খাতের সার্বিক ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে আরও বিস্তৃত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি খাতে নতুন করে গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত অন্যতম। এতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বিদ্যমান সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে ৩০ শতাংশ কাটছাঁটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভা বৈঠক নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ এবং সরকারি অর্থায়নে সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.