এইমাত্র পাওয়া

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

নিউজ ডেস্ক।। 

সংসদ গঠনের শুরুতেই আলোচনার তুঙ্গে থাকে নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়া নিয়ে। সে পর্ব শেষ হয়েছে ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা গঠনের মধ্য দিয়ে। এরপর আলোচনা ছিল জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ ও কারা হচ্ছেন হুইপ সে পর্বও শেষ। এখন সরকারি দলের ভিতরে বাইরে ও সংসদজুড়ে আলোচনা- কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি।

সরকারপ্রধান ও সংসদ নেতা এ পদে কাদের রাখতে চাইছেন এ নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।
১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় এবং মূলতবি সংসদ আবার বসছে আজ। চলতি সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত হয়ে যাবে কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি। যাদের মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া যায়নি, এর আগে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদেরই প্রাধান্য দিয়ে সংসদীয় কমিটি গঠনের আভাস পাওয়া গেছে বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে আলাপে।

বিএনপি ও সংসদ সচিবালয়ের সূত্রমতে, এবার সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দল থেকেও কয়েকজনকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে রাখা হতে পারে। সংসদীয় কমিটি গঠন এবং কমিটির সভাপতি করার ক্ষেত্রে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানোর কথা ভাবছেন দলীয় প্রধান, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কারণ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রীদের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে (ওয়াচডগ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে সংসদীয় কমিটি। তাই এ পদে একাদশ জাতীয় সংসদে যারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ছিলেন এবং সংসদ বিষয়ে অভিজ্ঞ এসব এমপিদের কমিটির সভাপতি করায় নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে।
একইভাবে সংসদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য বিরোধী দল (জামায়াত জোট) ও স্বতন্ত্র এমপিদের মধ্যে অভিজ্ঞতাসম্পন্নদের করা হতে পারে সংসদীয় কমিটির সভাপতি। এ বিষয়ে সংসদ নেতার মৌন সম্মতি রয়েছে বলেও দলটির ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে।
কমিটির সভাপতি করার ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যক্তিদের চিন্তা করা হচ্ছে জানতে চাইলে জাতীয় সংসদের সরকারি দলের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘পুরো চিন্তা ও পরিকল্পনার বিষয়টি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভালো জানেন। তবে যতটুকু অনুমান করতে পারি বা করতে পারছি তা হচ্ছে মন্ত্রিসভা-সংসদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের মতো চমকই তিনি দেবেন। যাদের মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া সম্ভব হয়নি, অতীতে অনেকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদেরকে প্রাধান্য দেবেন।

অনেক সাবেক মন্ত্রী রয়েছেন, তাদেরকেও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে রাখতে পারেন। ’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলটির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, মন্ত্রিসভা গঠনে তারেক রহমান যেমন চমক দিয়েছেন, তেমনি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পদেও চমক অপেক্ষা করছে। এ ছাড়া সংসদের ভারসাম্য ও স্বচ্ছতার জন্য বিরোধী দল ও স্বতন্ত্রদের মধ্যে সংসদ বিষয়ে দক্ষদের এবার সভাপতি করা হতে পারে। কারণ সংসদীয় কমিটির সভাপতির পদ গুরুত্বপূর্ণ। তারা মন্ত্রণালয়ের আয়-ব্যয় ও নিয়মনীতির ওপর তীক্ষè নজর রাখেন। জানা গেছে, মন্ত্রিসভা গঠনের আগে আলোচনায় থাকলেও মন্ত্রিসভা থেকে যারা বাদ পড়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. ওসমান ফারুক, জয়নুল আবদিন ফারুক, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, আলতাব হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, লুৎফুজ্জামান বাবর, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আলী আজগর লবি, আজিজুল বারী হেলালসহ অনেক সিনিয়র নেতা। তারা এবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে আসতে পারেন।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.