এইমাত্র পাওয়া

২০ রমজানের মধ্যে বেতন-বোনাস দাবি, না দিলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

নিউজ ডেস্ক।। 

ন্যায্য পাওরা আদায়ে ঈদের আগেই রাজপথে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, আগামী ২০ রমজানের মধ্যে বোনাস-বেতন না দিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হুশিয়ারি উপক্ষো করে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে শ্রমিকরা।

শ্রমিক নেতা কাজী রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. এম.এম আকাশ বলেন, শ্রমিকরা স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবিরকে ভোট না দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে এবং তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রীকে শ্রমিকদের ন্যায় সঙ্গত দাবি পূরণের পরীক্ষা দিতে হবে।

ইতিমধ্যে কৃষকদের ঋণ মওকুফ করার ঘোষণা দিয়েছেন, যাতে শ্রমিকরাও আরো বেশি আশায় বুক বেধেছেন। এ ছাড়াও বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে শ্রমিকদের কল্যাণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ওই সকল প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।
শ্রমিকদের ন্যায় সংগত দাবি পূরণে সরকার ও মালিকদের বিশেষ উদ্যোগের আহ্বান জানান শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, যদি কোনো মালিক ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দিতে না পারেন তাহলে সরকার দায়িত্ব নিয়ে সে সকল কারখানার শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দিতে হবে। দেশের সকলের ন্যায় শ্রমিকরাও যাতে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে সে ব্যাপারে সকলকে দায়িত্বশীল পদক্ষেপের আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে শ্রমিক নেতা কাজী রুহুল আমিন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর রাস্তা অবরোধকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে মর্মে হুশিয়ারী দিয়েছেন। কিন্তু মালিকরা সময়মতো বেতন বোনাস না দিয়ে শ্রমিকদেরকে রাস্তায় নামতে বাধ্য করলে সে সকল মালিকদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিবেন? শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের জন্য সরকার কি করবেন? তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেননি।

আমরা এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও সরকারের কাছে স্পষ্ট বক্তব্য জানতে চাই। বেতন-বোনাস না পেয়ে ঈদ ভন্ডুল হলে এবং না খেয়ে মরতে বসলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্যকে উপেক্ষা করে রাস্তায় নামতে বাধ্য হবো।
শ্রমিকনেতা কে এম মিন্টুর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন জাতীয় নারী শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি সাহিদা পারভীন শিখা, শ্রমিকনেতা ইকবাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, জালাল হাওলাদার, সাইফুল্লাহ আল মামুন ও জাহানারা বেগম, তাজরীন ফ্যাশনের আহত শ্রমিক জরিনা বেগম প্রমূখ।

সমাবেশ শেষে একটি লাল পতাকার মিছিল প্রেসক্লাব ও পল্টন এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.