নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ইবাদত কবুল হওয়ার প্রধান শর্ত হলো নিয়ত। যদি নিয়ত ছাড়া দিনের পর দিন কেউ না খেয়ে থাকে, তবে তাকে ইসলামি পরিভাষায় রোজা বলা হবে না। রোজা শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত করা আবশ্যক। নিয়ত কখন ও কীভাবে করতে হয়, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে।
রমজানের রোজার নিয়ত কখন করতে হয়?
রমজানের রোজার নিয়ত মূলত রাত থেকেই করা যায়। বিশেষত, ভোররাতে আমরা যখন সেহরি খেতে উঠি, তখন মনে মনে রোজা রাখার যে ইচ্ছা থাকে, সেটিই নিয়ত হিসেবে গণ্য হয়। আর রোজা রাখার জন্য সেহরি খাওয়ার বিষয়টিই একটি বড় নিয়ত। রোজার নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়। এটি অন্তরের বিষয়। এ ছাড়া নিয়ত আরবিতে করাও জরুরি নয়, নিজ ভাষায় মনে মনে সংকল্প করলেই নিয়ত সম্পন্ন হয়ে যাবে।
দিনে রোজার নিয়ত করার নিয়ম
যদি কোনো কারণে রাতে বা সেহরির সময় নিয়ত করতে ভুলে যান, তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। রমজানের ফরজ রোজার ক্ষেত্রে দিনের অর্ধেক সময় (শরয়ি নিসফে নাহার বা দুপুর) অতিবাহিত হওয়ার আগপর্যন্ত নিয়ত করার সুযোগ থাকে। তবে শর্ত হলো, সুবহে সাদিকের পর থেকে ওই সময় পর্যন্ত রোজার পরিপন্থী কোনো কাজ (যেমন পানাহার) করা যাবে না। নির্দিষ্ট তারিখের মানত করা রোজার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
যেসব রোজার নিয়ত রাত থেকেই করতে হয়
সব রোজার নিয়ত দিনে করলে হয় না। কিছু বিশেষ রোজার ক্ষেত্রে রাত থেকেই (ফজরের আগে) নিয়ত করা বাধ্যতামূলক। সে রোজাগুলো হলো: এক. অনির্দিষ্ট মানতের রোজা। দুই. রোজার কাফফারা (ভুলের ক্ষতিপূরণ হিসেবে রাখা রোজা)। তিন. রমজানের কাজা রোজা। চার. নফল রোজার কাজা।
এই রোজাগুলোর ক্ষেত্রে দিনে বা দুপুরের আগে নিয়ত করলে তা কবুল হবে না।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল