ঢাকাঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দুই হাজার ১৬৯টি পদে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিকে ‘অবৈধ’ দাবি করে বাতিল চেয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে তারা প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির দাবি তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বহু বছর ধরে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু পিএসসি সম্প্রতি একটি অবৈধ ও শিক্ষকবিরোধী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যা প্রাথমিক শিক্ষকদের স্বার্থের পরিপন্থি এবং দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি ছাড়া অন্য কোনো প্রক্রিয়া গ্রহণযোগ্য নয়। পিএসসির অবৈধ বিজ্ঞপ্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের অধিকার নিয়ে কোনো প্রকার তামাশা আর সহ্য করা হবে না।
এদিকে, এ দাবির প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ও সচিবালয় প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মানববন্ধন করবে। এসময় তারা কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দেবেন।
গত ৩১ আগস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বড় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) মোট দুই হাজার ১৬৯টি পদের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য ১১তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীনদের জন্য ১২তম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী এ গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন যোগ্যতায় বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকবে হবে। এছাড়া শিক্ষাজীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০৫/০৯/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
