পরীক্ষার উত্তরপত্র প্রধান পরীক্ষক/পরীক্ষক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি, শিক্ষার্থী বা পরিবারের অন্য কোন সদস্যকে দিয়ে বৃত্ত ভরাট/পূরণ করালো দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন জানিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
শনিবার (১৯ জুলাই) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র একটি গোপনীয় দলিল। এটি প্রধান পরীক্ষক/পরীক্ষকদের কাছে পবিত্র আমানত। পরীক্ষার উত্তরপত্র প্রধান পরীক্ষক/পরীক্ষক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি, শিক্ষার্থী বা পরিবারের অন্য কোন সদস্যকে দিয়ে বৃত্ত ভরাট/পূরণ করানো বা মূল্যায়ন করা পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত ১৯৮০ সনের ৪২ নম্বর আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধ প্রমাণিত হলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। এমতাবস্থায়, পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র গোপনীয়তার সাথে মূল্যায়ন এবং সংরক্ষন করার জন্য পরামর্শ দেয়া হলো।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/১৯/০৭/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল