শুধু সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃত্তি পরীক্ষার দাবি

ঢাকাঃ দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও আগের নিয়মে চালু হতে যাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার পর আলাদাভাবে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালার খসড়া এরই মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

খসড়ায় সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে—এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা।

বর্তমানে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে আন্দোলন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’-এর ডাকে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃত্তির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুনরায় চালু হতে যাওয়া প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষায় শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে যেন অনুষ্ঠিত হয়, সে দাবি জানাচ্ছেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা। একই সঙ্গে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী—শুক্র ও শনিবার দুদিন বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি বহাল রাখতে হবে।

২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা প্রচলনের পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল পঞ্চম শ্রেণির পৃথক বৃত্তি পরীক্ষা। তবে সেই নিয়ম আবার ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা শেষেই বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এছাড়া বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা ২২৫ টাকা করে পায়।

নতুন নীতিমালার খসড়ায় উভয়ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ যৌক্তিক হারে বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮২ হাজার ৫০০ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ করার প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২৮/০৫/২০২৫


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.