এইমাত্র পাওয়া

আগামী শিক্ষাবর্ষের আগেই প্রাইমারি স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষকের পদ সৃষ্টির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ের সম্পাদক ও জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা এবিএম জাকারিয়া বলেছেন, প্রাইমারি স্কুলে ক্লাস ১ম থেকে ৫ম পর্যন্ত ধর্মীয় বিষয়ে বই থাকা সত্ত্বেও কোন ধর্মীয় শিক্ষকের পদ স্বাধীনতার ৫৩ বছরের সৃষ্টি করা হয়নি। বিগত ১৬ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার ধর্ম শিক্ষাকে সঙ্কুচিত করেছে। ধর্মীয় শিক্ষকের পদ সৃষ্টি না করে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। হাজার হাজার ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই আগস্টে অভ্যুত্থানের পরেও এই বৈষম্য বাংলাদেশের শিক্ষক অভিভাবক ও ছাত্র সমাজ মেনে নেবে না। আগামী ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই প্রাইমারিতে ধর্মীয় শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করতে হবে।

শনিবার জাতীয় শিক্ষক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের প্রাইমারি স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঠিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও নতুন শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক আব্দুস সবুর।

এতে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা নেছার উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার মাওলানা আহসানুল্লাহ খান, আর আই এম ওহিদুজ্জামান, ড. মাসুম রব্বানী আজহারী প্রফেসর শিহাব উদ্দিন মোল্লা, মুফতি মহিউদ্দিন আকবর আলী, কে এম জাহিদ তিতুমীর , আলতাব হোসেন গাজী প্রমুখ।

জাকারিয়া আরো বলেন, নতুন বাংলাদেশে নতুন শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে যা হবে দেশের জনগনের বোধ বিশ্বাস ও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর চিন্তা চেতনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকার নতুন কারিকুলাম এর নামে ভারতীয় শিক্ষা সংস্কৃতি দেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করেছিল, যা দেশের জনগণ ঘৃনা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। পরে আগামী ১৪ ডিসেম্বর সারাদেশব্যাপী জাতীয় শিক্ষক ফোরামের উদ্যোগে একই দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০৭/১২/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.