এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষাবার্তা’য় প্রকাশিত সংবাদে অধ্যাপক বিশ্বজিতের প্রতিবাদ, প্রতিবেদকের বক্তব্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃআন্দোলনের মুখে মাউশির রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালকে বদলি” শিরোনামে শিক্ষাবার্তা’য় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আঞ্চলিক পরিচালক অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ব্যানার্জি।

গতকাল মঙ্গবার বিকেলে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন রাতে ইমেইলে প্রতিবাদ লিপি প্রেরণ করেন তিনি। 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, “পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চল, রাজশাহী স্বেচ্ছায় আবেদনের প্রেক্ষিতে বদলি হয়েছেন। ( কপি সংযুক্ত) এসম্পর্কে আপনাদের অনলাইন নিউজে প্রমাণবিহীন ভুল ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। পরিচালকের সাথে কথা না বলে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার হলুদ সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে।”

প্রতিলিপিতে তিনি রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর কর্তৃক স্বাক্ষরিত  বিভাগীয় কমিশনার অফিসিয়াল প্যাডে গত ৩ অক্টোবর শিক্ষা সচিব বরাবর বদলির জন্য পাঠানো একটি আবেদন সংযুক্ত করেন। 

প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রেরিত প্রতিবাদ লিপিতে ভিত্তিহীন ও ‘হলুদ সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে’ উল্লেখ করা সাংবাদিক সমাজের প্রতি অবজ্ঞাসূলভ আচরণ ও হেয় প্রতিপন্ন করার সামিল। এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর একদল তরুণ মাউশির আঞ্চলিক পরিচালকের অফিসে যান। তাঁরা ‘দুর্নীতিবাজ’ পরিচয় দিয়ে পরিচালক অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ব্যানার্জীকে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে পরিচালক মাউশির মহাপরিচালককে ফোন করার জন্য মুঠোফোন হাতে তোলেন। কিন্তু ওই তরুণেরা তাঁকে ফোন করতে বাধা দেন। চাপের মুখে অধ্যাপক ব্যানার্জী কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান। এরপর ওই তরুণেরা কার্যালয়ে তালা দেন। এর দুই দিন পর গত ২ অক্টোবর তার অপসারণের দাবিতে আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে রাজশাহী মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভের ঠিক একদিন পরে তিনি বদলির আবেদন করেন বিভাগীয় কমিশনারের স্বাক্ষরে ও প্যাডে। কেউ বদলি হতে চাইলে নিজে আবেদন করলেও এক্ষেত্রে তা না করে বিভাগীয় কমিশনার বদলির আবেদন করে

অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ব্যানার্জিকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভকরা ব্যক্তিরা জানান, ‘পরিচালক বিশ্বজিৎ ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে রাজশাহী জজকোর্টের আইনজীবী মো. এনামুল হক, সাবেক ছাত্রদল নেতা তোরাব আলী পারভেজ ও কাউসার আলী নামের এক ব্যক্তি ৬ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনে ও ৯ অক্টোবর শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালক বিশ্বজিৎ ব্যানার্জী ও তাঁর সহকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে মাউশি থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/৩০/১০/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading