এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষাখাতে শিক্ষকদের জন্য বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন

র্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা ও অন্যান্য কারণে গত কয়েক বছরে শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে আগামী বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিতে হবে।

বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন।তাছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শ্রমিক এবং প্রান্তিক চাষিদের কর্মহীন হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে এবারের বাজেটে কর্মসংস্থান, শিল্প ও কৃষি খাতে উৎপাদন, সার্ভিস সেক্টর সচল করাসহ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার করার মতো উপাদান থাকতে হবে।

অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সৃজনশীল উদ্ভাবন এবং গার্মেন্টসহ ব্যবসাবান্ধব পরিস্থিতির উন্নতি করা ও চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করে জনগণকে রক্ষা করাই সরকারের করণীয়। আগামী বাজেট বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনিক দক্ষতা ও মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

প্রবৃদ্ধি কী হবে সেটা এখন ভাবার বিষয় নয়, এখন মূল ভাবনার বিষয় হচ্ছে, মানুষের জীবন ও জীবিকার সমন্বয় করে বৃহত্তর অর্থনীতির স্বার্থে কীভাবে বৈশ্বিক মন্দা কাটিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া যায়।

বৈশ্বিক মন্দার কারণে বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো হচ্ছে-

(১) শিক্ষা ব্যবস্থাপনা,

(২) স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা,

(৩) কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যের ব্যবস্থাপনা,

(৪) জরুরি সেবা নিশ্চিতকরণ,

(৫) রপ্তানি ও বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যাবস্থাপনা,

(৬) আন্তর্জাতিক সমন্বয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা

ও (৭) আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক সমন্বয়। চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। আগামী বাজেটে যে দুটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে তা হচ্ছে কোথায় অর্থ খরচ করা হবে আর সেই অর্থ আসবে কোথায় থেকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত করের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তাছাড়া, মূল্য সংযোজন কর, আমদানি শুল্ক, আয়কর, সম্পূরক শুল্কের উপর গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। আগামী বাজেটে দেশের শিক্ষা ও কৃষি খাতের জন্য ভর্তুকি বাড়াতে হবে।

শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ ভর্তুকি রাখতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থসংস্থানের জন্য প্রথমত, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে, বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি চার্জ ভর্তুকি বাদ দিতে হবে। সরকারের অতিরিক্ত জনবল ইত্যাদি বিষয়ে ব্যয় কমাতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সহজে কর আদায়ের খাতগুলি বের করতে হবে। যেমন বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বিভিন্ন পন্থায় কর ফাঁকি দেয় তাই ট্রান্সফার প্রাইসিং সেল সক্রিয় করে কর আদায় বাড়ানো যেতে পারে। তাছাড়া দেশি কোম্পানিগুলোকে যে কর সুবিধা দেওয়া হয় তা পুননিরীক্ষা দরকার।

তৃতীয়ত, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উৎস থেকে বিদেশি অনুদান বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে।

চতুর্থত, দীর্ঘমেয়াদি কম সুদের হার ও গ্রেস পিরিয়ড সম্পন্ন বিদেশি ঋণ নিতে হবে।

পঞ্চমত, অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ব্যাংক খাত হতে আর ঋণ নেওয়া যাবে না।

শিক্ষাবার্তা/জামান/০৫/০৫/২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.