এইমাত্র পাওয়া

পিএইচডি ছাড়া হওয়া যাবে না ঢাবি শিক্ষক!

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

আগামীতে শিক্ষক নিয়োগে পিএইচডিকে মানদণ্ড হিসেবে দাঁড় করানোর বিষয়ে ভাবছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। এটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান এবং গবেষণার মান বাড়বে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।

সম্প্রতি উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের (শিক্ষা) সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। তবে এ নিয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কোনো ফোরামে আলোচনা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদরা বলছেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি ছাড়া আবেদন করা যায় না জানিয়ে তারা বলেন, বাংলাদেশেও এ পথে হাঁটার সময় এসেছে।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, এটা শুধু প্রভাষক নিয়োগ না। আশপাশে যেমন ভারতে প্রভাষকের কোনো পদ নেই। যেখানে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর (সহকারী অধ্যাপক) থেকে শুরু হয় এবং ডক্টরেট ডিগ্রি ছাড়া সেটি হয় না। আমাদের এখানেও আমরা সংস্কার করব। এ সংস্কার করতে গেলে পর্যাপ্ত পিএইচডিধারী শিক্ষকের প্রয়োজন আছে এবং সেটা হতে হবে মানসম্মত পিএইচডি।

ঢাবির পিএইচডির কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, আমাদের এখানেও অনেক পিএইচডি হয়, যার কোনো ইম্প্যাক্ট নেই। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা আমি নাই বললাম। ইম্প্যাক্ট ছাড়া পিএইচডি দিয়ে তো শিক্ষক করা যাবে না। ভালো গবেষক যাদের পর্যাপ্ত গবেষণা আছে এমন শিক্ষার্থীর সক্ষমতা সাপেক্ষে আমাদের এগোতে হবে।

অবশ্য এ পথে এগোনোর আগে দেশের উচ্চশিক্ষায় একটা সংস্কার দরকার বলে তিনি মনে করেন ড. মাকসুদ কামাল। তিনি বলেন, সংস্কারটি হলো বৃত্তিধারী যেসব শিক্ষার্থীকে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্কলারশিপ দিয়ে আমরা দেশের বাইরে পাঠাই সেই স্কলারশিপের পরিমাণ যদি বাড়ানো যায় এবং দেশের ভেতরে যদি পিএইচডির মান বাড়ানো যায়, যারা পিএইচডি করছেন তাদের যদি তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি-প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় তাহলে আমাদের দেশেও মানসম্মত পিএইচডি হবে। সেই অবস্থায় যখন আমরা পাব তখন গিয়ে সংস্কারটা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/জামান/২৭/০৩/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.