নিউজ ডেস্ক।।
গত ২৩ অক্টোবর- ২০১৯ খ্রিঃ তারিখে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকা প্রধান শিক্ষকের ১০ ও সহকারি শিক্ষগনের ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের দাবীতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ঢাকার মহাসমাবেশের আহ্বানে সারা দেশের প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষক উপস্থিত হয়েছিল।
শিক্ষকদের ডিএমপি পুলিশ প্রশাসন প্রথমে শহিদ মিনারে একত্রিত হতে না দেয়ায় শিক্ষকরা দোয়েল চত্বরে একত্রিত হয়ে সমাবেশ চালিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ সেখানেও বাঁধা দেয়, শিক্ষকদের সাথে ধস্তাধস্তি হয় এবং মৃদু লাঠি চার্জ করে। দুপুরের দিকে শিক্ষকরা সংগঠিত হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একত্রিত হয়ে মহাসমাবেশ শুরু করলে পুনরায় পুলিশ সমাবেশে বাঁধা সৃষ্টি করে।

পুলিশের কিছু অতি উৎসাহী সদস্য শান্তিপূর্ণ, সুশৃংখলভাবে চলমান সমাবেশে শিক্ষকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং নির্বিচারে লাঠি চার্জ করে। মোঃ এমরান হোসেনসহ ১৪/১৫ জন শিক্ষক আহত হন।এখনও ৪/৫ জন শিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অংশগ্রহনকারী শিক্ষকদের উপর পুলিশ বাহিনীর সদস্য কর্তৃক বর্বরোচিত লাঠি চার্জ ও অসৌজন্যসূলক আচরণে প্রতিবাদে এবং দৃষান্তমূলক শাস্তির দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সকাল ১১.০০ থেকে ১১.১০ পর্যন্ত ১০ মিনিট সময় সারা দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের ন্যায় নোয়াখালী জেলার বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকবৃন্দ কর্তৃক কর্মসূচী পালিত হয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ সুবর্ণচর শাখার উপদেষ্টা মোহাম্মদ শাখাওয়াত উল্লাহ শিক্ষা বার্তা ডটকম জানান ১৯৯০ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে কর্মসূচীতে আরো অংশগ্রহন আমাদের করতে হয়েছে।
কিন্তু ২৩ অক্টোবর কেন শিক্ষকদের সাথে পুলিশের এ জঘন্য আচরণ তা বোধগম্য নয়। বিনা উস্কানীতে বর্বর এ আচরণের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করি এবং দোষী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিতকরণের দাবী জানান।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
