এমপিওভুক্তিতে কাজে আসেনি ডিও লেটার, সুপারিশ ও তদবির

অনলাইন  ডেস্ক :

গত ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত এমপিওভুক্তির তালিকায় যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে এসেছে,এক্ষেত্রে ডিও লেটার, সুপারিশ, তদবির কোনো কাজে আসেনি। অথচ এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশের পর তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মন্ত্রী এমপি কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানোর হিড়িক পড়েছে। । এমনকি প্রশংসাসূচক বাক্য দিয়ে পোস্টার বানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করতেও দেখা যাচ্ছে।

এনিয়ে বিব্রত হচ্ছেন স্বয়ং ধন্যবাদপ্রাপ্ত মন্ত্রী এমপিরাই। কারণ এবার অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়ারের মাধ্যমেই এমপিওভুক্তির তালিকা করা হয়েছে। এমপিওভুক্তির তালিকা করার ক্ষেত্রে এমপি মন্ত্রী কিংবা কোনো নেতার তদবির কিংবা ডিও লেটারই কাজে আসেনি।

যে প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত হয়েছে নীতিমালায় থাকা ৪টি শর্ত পূরণ করেই এমপিওভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই। এর মধ্যে যারা এমপিও ৩টি শর্তও পূরন করছে তাদেরও এমপিও হয়নি।

বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ি অনলাইনে আবেদনে ২০১৫-১৬-১৭ এই তিন বছরের তথ্য চাওয়া হয়েছিলো। সে তথ্য অনুযায়িই ২০১৯ সালে এসে এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যে কারণে তালিকায় থাকা কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যতয় ঘটেছে।  বিতর্কিত ব্যক্তিদের নামে প্রতিষ্ঠান, অযোগ্য প্রতিষ্ঠান, সরকারি প্রতিষ্ঠান, অথবা এমপিও প্রতিষ্ঠান ফের এমপিওর ক্ষেত্রে মাঠ লেভেলে যারা তথ্য সংগ্রহ করেছেন বা প্রদান করেছেন অথবা দিয়েছেন তাদেরই দায়িত্ব অবহেলার কারণেই এমনটা ঘটেছে। কারণ সফটওয়ারে এবিষয়গুলো আইডেন্টিফাই করার কোনো অপশন ছিলো না ।

শিক্ষামন্ত্রী আগেই বলেছিলেন ‘সুনির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতেই বিভিন্ন ধারার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও দেওয়া হবে। যোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানও এমপিও-এর বাইরে থাকবে না। নীতিমালা অনুযায়ী শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত হবে। এ ক্ষেত্রে এমপিদের ডিও লেটার কোনো কাজে আসবে না। এমপিওভুক্তির জন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে চার ধাপে ১০০ নম্বরের গ্রেডিং পদ্ধতিতে উত্তীর্ণ হতে হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.