এইমাত্র পাওয়া

৪ মাস পর সর্বোচ্চ ১২জন মৃত্যু করোনায়

করোনায় হঠাৎ মৃত্যুর এই সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন আজ  বলেন, ‘যেসব ব্যক্তি মারা গেছেন, তাঁরা গত তিন সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময় শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা তাই আরও বাড়তে পারে বলে আমার আশঙ্কা। এরপর শনাক্তের সংখ্যা কমতে থাকলে তার তিন সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যাও কমতে থাকবে।’

টানা চার দিন দৈনিক শনাক্ত দুই হাজারের ওপরে থাকার পর তিন দিন ধরে শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের নিচে ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় তা দুই হাজার ছাড়াল। এ সময় করোনা শনাক্তের হারও বেড়েছে।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৮৪২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৫১। আগের দিন এ হার ছিল ১৫ দশমিক ৫৩।

এর আগে দেশে করোনা শনাক্তের হার ১০-এর ওপরে ছিল গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর শনাক্তের হার ধারাবাহিকভাবে কমে আসে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের ৯ জনই ঢাকা বিভাগের। বাকি তিনজন চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ২৮৫ জনের মধ্যে ১ হাজার ৮৩৩ জনই ঢাকা বিভাগের। এর মধ্যে আবার মহানগরসহ ঢাকা জেলার ১ হাজার ৫৭৭ জন। এর বাইরে চট্টগ্রামে ২১১, ময়মনসিংহে ৫৭, বরিশালে ৫৬, রাজশাহীতে ৪৫, খুলনায় ৪৪, রংপুরে ২৯ ও সিলেটে ১০ জন আক্রান্ত হন।

বাংলাদেশে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমণের চিত্রে কয়েক দফা ওঠানামা করতে দেখা গেছে।

করোনা পরিস্থিতি প্রায় সাড়ে তিন মাস নিয়ন্ত্রণে থাকার পর গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের প্রভাবে দ্রুত বাড়তে থাকে রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে নিয়মিতভাবে রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার কমেছে। দেশে সংক্রমণ কমে আসায় আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। তুলে নেওয়া হয় করোনাকালীন বিধিনিষেধ। ২৫ মার্চ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত দৈনিক শনাক্ত ১০০ এর নিচে ছিল। ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.