এইমাত্র পাওয়া

বরিশাল বিভাগে করোনা শনাক্তের হার ৩৪

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত বিভাগে শনাক্তের হার ছিল শূন্য। ১৪ জুন ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়ে শনাক্ত হার হয় ৪ দশমিক ১৭। এরপর তা ক্রমেই বাড়তে থাকে। আজ তা বেড়ে ৩৪ দশমিক ২৭ শতাংশে পৌঁছায়।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, এ বিভাগে গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ চূড়ায় ছিল। গত জানুয়ারিতে বিভাগের শনাক্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৩১৭। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে হয় ৩ হাজার ৮৮৪ জন এবং মার্চে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১৪৪ জনের। কিন্তু এপ্রিলে তা কমে হয় মাত্র ৬ জন এবং মে মাসে তা আরও কমে দাঁড়ায় মাত্র ৩ জনে। জুনে বিভাগে এই সময়ে কোনো মৃত্যু ছিল না। বিভাগে এযাবৎ করোনায় মারা গেছেন ৬৯০ জন।

সংক্রমণের গতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে বরিশাল জেলায় ৩০ জন। এ ছাড়া ভোলায় ৭ জন, পটুয়াখালীতে ২ জন, পিরোজপুরে ১ জন ও ঝালকাঠি জেলায় ৯ জন শনাক্ত হয়েছে। বরগুনায় কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। শনাক্তের হারও সবচেয়ে বেশি বরিশাল জেলায়, ৯০ দশমিক ৯১।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল আজ দুপুরে বলেন, ‘সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমে অবনতি হচ্ছে। এখন ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দিকাশি দেখা দিচ্ছে। কিন্তু অনেকেই করোনা পরীক্ষা করানোর ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। এটা পরিস্থিতিকে জটিল করে দিতে পারে। এ জন্য আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি, যাতে কোনো রোগীর মধ্যে এ রকম উপসর্গ থাকলে করোনা পরীক্ষা করানো হয়।’

শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল আরও বলেন, মাস্ক পরার ব্যাপারে এখন যেভাবে উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে, সেটাও আশঙ্কার বিষয়। সামনে পবিত্র কোরবানির ঈদে লোকসমাগম এড়িয়ে ও মাস্ক পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.