এইমাত্র পাওয়া

স্কুল কমিটির নির্বাচনে এমপির দ্বিগুন ভোট পেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

অনলাইন ডেস্ক।।

খুলনার তেরখাদা উপজেলার শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বুধবার (২৭ এপ্রিল) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন তেরখাদা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম।

ছয় ভোট পেয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিন ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছে খুলনা-৪ (রূপসা- তেরখাদা-দিঘলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী। তবে এই সংসদ সদস্য দাবি করেন, তিনি নিজে থেকে স্কুলটির কমিটি নির্বাচনে অংশ নেননি।

আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি বলেন, ‘এ স্কুলের নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমার আহ্বান ছিল। কিন্তু আমি প্রার্থী সেটা আমার জানা ছিল না। আমার সঙ্গে এ নিয়ে কেউ আলোচনাও করেনি। আমি নির্বাচন পরিচালনায় থাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকেও জিজ্ঞাসা করেছি, আমার নামটি কেন কী কারণে নেওয়া হলো। নাম নেওয়ার আগে আমার সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল।’
তিনি বলেন, ‘সমগ্র এলাকার দায়িত্ব আমার। আমি কেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে যাবো।’

জানা গেছে, তেরখাদার শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছুদিন আলোচনা চলছিল। গত সোমবার সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন হয়। সভাপতি পদে বুধবার দুপুরে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান।

নির্বাচনে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন এমপি সালাম মুর্শেদী ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম। এতে ভোটার ছিলেন মোট ৯ জন। এর মধ্যে শিক্ষক প্রতিনিধি তিন জন, দাতা সদস্য একজন এবং অভিভাবক সদস্য পাঁচ জন। বুধবার বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটের সময় ভোটাররা গোপনে তাদের মতামত প্রকাশ করেন।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা চম্পা জানান, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলামের নাম ছিল। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্কুল কমিটির সদস্য নির্বাচন শেষে সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বুধবার বেলা ১১টায় ৯ সদস্যকে নিয়ে সভা আহ্বান করা হয়। সেখানে সভাপতি পদে স্থানীয় এমপি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করা হয়। দুই জন প্রার্থী হওয়ায় হাউজের মতামত চাওয়া হয়। তখন প্রত্যাশা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যালট তৈরি ও ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোটে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ৯ ভোটের মধ্যে ছয় ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.