নিজস্ব প্রতিবেদক।।
আর্থিক অনটনের কারণে আত্মহননের পথ বেছে নেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অন্তু রায়। এই অভাবের কথা আগে জানতেন স্বজনরা, হয়তো দু-একজন সহপাঠী বন্ধুও জানতেন। অন্তুর আত্মহত্যার পর তার ছোট বোন এসএসসি পরীক্ষার্থী চৈতি রায়ের লেখাপড়া নির্বিঘ্নে চালানোর জন্য সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ বসুন্ধরা।
শুক্রবার (৮ এপ্রিল) বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিনিধি দল অন্তুর বাড়ি গিয়ে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে নগদ সহায়তা তাঁদের হাতে তুলে দেন েএবং চৈতি রায়ের পড়াশোনায় সহায়তার আশ্বাস দেন।
অন্তুরা দুই ভাই-বোন। নিজেদের মাত্র একটি কক্ষে বোন থাকত। ঘরে বা বারান্দায় মা-বাবা রাত কাটাতেন। অন্তু বাড়ি এলে দিনের বেলায় ঘরে থাকলেও রাতে তার এক ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে থাকত। ৩ এপ্রিল অন্তু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাড়িতে আসে। পরদিন সকালে আত্মহত্যা করে অন্তু। ছোট বোন চৈতি এসে দেখে তার দাদা গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে আছে।
অন্তুর বাবা দেবব্রত রায় বলেন, ‘আমরা ধার-দেনা করে ওকে সহযোগিতা করতাম; কিন্তু ও যে আত্মহত্যা করবে এটা বুঝতে পারিনি। ’ এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না তা তিনি ভাবতে পারছেন না। তাঁর মা গীতা রায় বলেন, ‘ও (অন্তু) যখন ক্লাস ফাইভি পড়ে তখন থেহে আমি পরের ক্ষেতে কাজ করি; আর দুটো বছর কি আমি ওরে সাহায্য করতি পারতাম না!’
বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তার আশ্বাস পাওয়ার পর অন্তুর বাবা দেবব্রত রায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
