এইমাত্র পাওয়া

বরিশালের একে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাময়িক বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
অর্থ আত্মসাতসহ ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগে বরিশাল নগরীর আছমত আলী খান (একে) ইন্সটিটিউশনের প্রধান শিক্ষক এইচএম জসিম উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং ভাড়াটিয়াদের ভাড়া মওকুফ করে তা আত্মসাৎ এবং অকৃতকার্য ছাত্রদের কাছ থেকে উত্তোলনকৃত মোট পাঁচ লাখ টাকা আত্মসাতসহ ১০টি অভিযোগ ওঠে।

আনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৫ ডিসেম্বর শিক্ষক ও কর্মচারীরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব করে কর্তৃপক্ষের কাছে। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে স্কুলের অফিস সহকারী জামাল হোসেন সন্যামত স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ম্যানেজিং কমিটি সভায় প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের কথা জানানো হয়।

অফিস সহকারী জামাল হোসেন সন্যামত বলেন, গত ১ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় গত ২ সেপ্টেম্বর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। তার উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সদস্য ছিলেন সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মনোজ হালদার, সহকারী শিক্ষক ইসরাত জাহান সিলভী ও মামুন হাওলাদার। তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ১০টি অভিযোগের প্রমাণ পায় কমিটি। পরে ম্যানেজিং কমিটির সভায় প্রধান শিক্ষক জসিমউদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

আছমত আলী খান (একে) ইন্সটিটিউশন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাসুদ হাসান বাবু জানান, তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থাসহ আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে প্রধান শিক্ষক এইচএম জসিম উদ্দিন জানান, তদন্ত কালীন সময় তাকে এক মাস বাধ্যতামূলক ছুটিতে রাখা হয়। এ কারণে তারা ইচ্ছেমত এক পেশে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ১০টি অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সাময়িক বরখাস্ত করেন। যা বিধি সম্মত হয়নি।

সূত্রঃ ইত্তেফাক


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.