পুঁজিবাজারে দীর্ঘ দেড় মাস ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসি’র দ্বন্ধে টালমাতাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কোন কিছুইতে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে নীতিনির্ধারণী বেশ কিছু বিষয় সংস্কারে বাংলাদেশ ব্যাংকের আপত্তি রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরেই পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগে কড়াকড়ি আরোপ, বিনিয়োগ ক্রয়মূল্যের পরিবর্তে বাজারমূল্যে হিসাব করা, সাতটি ব্যাংকের বন্ড অনুমোদন না দেওয়া, বন্ডকে ক্যাপিটাল এক্সপোজারের বাইরে রাখাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের।
আর এর প্রভাবে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, বড় লোকসানে পড়ছেন বিনিয়োগকারীরা। ব্যাংক কোম্পানির তিন দশকের পুরনো আইনে সংস্কার না আনায় পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া সম্প্রতি বেশ কিছু ঘটনায় ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে কয়েক মাস ধরে রেষারেষি চলছে। এ রকম অবস্থায় ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১০ নভেম্বর সম্পদ ব্যবস্থাপনা (অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট) কোম্পানিগুলোর সম্পদ ও দায়ের তথ্য চেয়ে তাদের চিঠি দিয়েছে। এর জেরে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পাল্টা চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
এতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) চিঠি দেয়। এর আট দিন পর ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে পাল্টা চিঠি পাঠায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। চিঠিতে কোম্পানিগুলোর কাছে এভাবে তথ্য চাওয়া থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। কিন্তু কোন কিছুতেই তোয়াক্কা করছে না বাংলাদেশ ব্যাংক।
অবশ্য কোনো বিরোধ নয়, কিছু বিষয়ে দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে মতের অমিল হচ্ছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিএসইসি পুঁজিবাজারকে প্রাণোদ্দীপ্ত রেখে অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে চাইছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব পালন করছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে দুটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব কিছু ক্ষমতা, দায়দায়িত্ব ও স্বায়ত্তশাসন আছে। প্রত্যেকে ক্ষমতাচর্চার ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন না করে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে কোনো বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার কথা নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হিসেবে আমি বলতে পারি, বিএসইসির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো বিরোধ নেই।
তবে বিএসইসির কিছুু সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমাদের বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সমাধানও হচ্ছে। সম্প্রতি যেসব বিষয়ে উভয় সংস্থার মধ্যে মতবিরোধ হয়েছে, সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয় সভায় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পুঁজিবাজার ও অর্থনীতির উন্নয়নের স্বার্থে স্টেকহোল্ডাররাও দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে মতপার্থক্য দূর করে সমন্বয়ের বিষয়ে জোর দিয়েছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রেসিডেন্ট মো. ছায়েদুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যেই কার্যকর সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ১০ অক্টোবর ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৭৩৬৭ পয়েন্টে যাওয়ার পর থেকেই অস্থিরতা দেখা দেয়। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কড়াকড়ি আরোপে দরপতন দেখা দেয়। পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বিএসইসির আলোচনা হলেও কোনো সমাধান না আসায় বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পড়েন। এ সময় বিনিয়োগকারীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শেয়ার বিক্রি করে সাইডলাইনে ফিরে যান।
ফলে লেনদেনও ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করে। গত ১০ অক্টোবরের পর ডিএসইর প্রধান সূচকটি কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। এ সময় বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমলেও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরবৃদ্ধি সূচকের আরও পতন থেকে রক্ষা করেছে। উল্লিখিত সময়ে উৎপাদনমুখী খাতের দর ব্যাপক হারে কমেছে।
এদিকে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে বড় দরপতনে হয়েছে লেনদেন শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারে। এর মাধ্যমে পিছনের দিকে যাওয়ার প্রবণতায় অব্যাহত রয়েছে পুঁজিবাজার। এদিন পুঁজিবাজারের সব সূচক কমেছে। একই সাথে কমেছে লেনদেন অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর। তবে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।
জানা গেছে, আজ প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৬.৬৩ পয়েন্ট বা ০.৬৮ শতাংশ কমে ছয় হাজার ৭৩৬.৫৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১০.৫৯ পয়েন্ট বা ০.৭৩ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৯.০৪ পয়েন্ট বা ০.৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৩২.৬৫ পয়েন্ট এবং দুই হাজার ৫২৮.৬৬ পয়েন্টে।
ডিএসইতে আজ ৮০৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ২০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বেশি। আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল ৭৮৬ কোটি ২১ লাখ টাকার। ডিএসইতে আজ ৩৭৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০০টির বা ২৬.৭৪ শতাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। দর কমেছে ২৪১টির বা ৬৪.৪৪ শতাংশের এবং ৩৩টি বা ৬.৮২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১৩২.২৪ পয়েন্ট বা ০.৬৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬০৬.৫৯ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৬৬টির, কমেছে ১৮৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির দর। আজ সিএসইতে ৯১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিরোধ ছাড়াও ব্যাংকের হিসাব বছর শেষ হয়ে আসাও বাজার অস্থিরতার জন্য দায়ী। এ সময় মূলধনী মুনাফা দেখাতে ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শেয়ারের বিক্রি চাপ রয়েছে। ব্যক্তিশ্রেণির বড় বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য অংশ সাইডলাইনে থাকায় লেনদেনের পরিমাণও ৬০ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
বিএসইসির মূল আপত্তি: সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া চিঠির জেরে গভর্নরকে লেখা বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজার অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীদের নিয়ন্ত্রক হিসেবে তদারকির দায়িত্ব পালন করে তারা। প্রত্যেক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও পক্ষের কাছে থাকা তথ্য মূল্য সংবেদনশীল হতে পারে, যা বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া বা অনুমোদিত পন্থা ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ ও প্রকাশ করা যায় না।
বিদ্যমান ১৯৬৯ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশের ১৯ ধারায় এসব তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলে তা বিএসইসির মাধ্যমে সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। বিএসইসি বলেছে, ‘পুঁজিবাজারের সংবেদনশীলতা বিবেচনায় এবং বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্দেশে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরাসরি কোনো তথ্য, উপাত্ত বা প্রতিবেদন চাওয়া থেকে বিরত থাকার বিষয়ে সবার সহযোগিতা কাম্য।’
বিএসইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, খেলাপি ঋণ আবার এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোর মূলধন ভিত্তি দুর্বল, পুরো খাতে সুশাসনের ঘাটতি আছে। অথচ মূল কাজ এড়িয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পুঁজিবাজার-সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে বেশি মনোযোগী হয়েছে। কখনো কখনো এখতিয়ারের বাইরে গিয়েও হস্তক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা ভুল বার্তা দিতে পারে।
বিএসইসির একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা জানান, তথ্য-উপাত্ত চাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে যে একটা সাধারণ চর্চা রয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই চিঠিতে তার ব্যতয় ঘটেছে। যেমন বিএসইসি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সিআইবি তথ্য জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়, সরাসরি ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কিছু বলে না। তেমনি বিমা কোম্পানির তথ্য জানতেও চিঠি পাঠানো হয় বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে।
দুই সংস্থার সাম্প্রতিক মতভিন্নতা: পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ খতিয়ে দেখতে গত আগস্ট মাসে ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস পরিদর্শন শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে প্রতিদিন প্রতিবেদন চেয়েও কেন্দ্রীয় ব্যাংক চিঠি দেয়। সেটাকে বিএসইসি ভালোভাবে দেখেনি।
‘পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিল’ নামে কয়েক মাস আগে একটি তহবিল গঠন করে বিএসইসি। লক্ষ্য ছিল, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অবণ্টিত লভ্যাংশ ওই তহবিলে জমা হবে। এ নিয়েও দুই সংস্থার অবস্থান ভিন্নমুখী। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী অদাবিকৃত লভ্যাংশের অর্থ স্থিতিশীলতা তহবিলে যাওয়ার সুযোগ নেই। যারা এরই মধ্যে এ ধরনের অর্থ জমা দিয়েছে, তা ফেরত আনতে হবে। অন্যদিকে বিএসইসির মত হচ্ছে, এ অর্থ বিনিয়োগকারীর এবং তা এ তহবিলেই স্থানান্তরিত হবে।
বেসরকারি ওয়ান ব্যাংক গত বছর আর্থিক প্রতিবেদনে অসত্য তথ্য দিয়েছিল। বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন ও লভ্যাংশ বিতরণের পরে ওই প্রতিবেদন পরিবর্তন করতে ওয়ান ব্যাংককে দুটি চিঠি পাঠিয়ে নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু ব্যাংকটি কোনো পরিবর্তন আনেনি।এ কারণে ওয়ান ব্যাংককে জরিমানা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর সরাসরি বিরোধিতা করে বিএসইসি। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়ে গভর্নর ফজলে কবিরের উদ্দেশে বিএসইসি বলেছে, ওয়ান ব্যাংকে পাঠানো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-১ ও অফ সাইট সুপারভিশন বিভাগের দুটি চিঠির বিষয়ে কমিশন অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।
বিএসইসি জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে লভ্যাংশের পরিমাণ নির্ধারণ আইনসংগত নয়। লভ্যাংশের পরিমাণ নির্ধারণ করা শেয়ারহোল্ডারদের মৌলিক অধিকার। চিঠিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত স্থগিতের জন্য গভর্নরের হস্তক্ষেপ চায় বিএসইসি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাতে সাড়া দেয়নি।
এ বিষয় জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম সম্প্রতি বলেন, এটা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। তথ্য-উপাত্ত সব সময় চাওয়া হয়। আইএমএফসহ অন্যান্য সংস্থা তথ্য চেয়ে থাকে। এগুলো সরবরাহ করা হয়। এ ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
