সাগর তলের ৯৫ ভাগই মানুষের অজানা

অনলাইন ডেস্ক।। 

বঙ্গোপসাগরের বালুতে পাওয়া গেছে বিশ্বের অন্যতম দামি খনিজ পদার্থ ইউরেনিয়াম। এটি সাধারণ মাত্রার চেয়েও বেশি পরিমাণে আছে এবং প্রযুক্তি হাতে পেলে খুব সহজেই আহরণ করা সম্ভব।

ব্লু ইকোনমি বিষয়ে সাংবাদিকদের একটি ওয়ার্কশপে বক্তব্য দিতে গিয়ে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিওআরআই) মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর এসব কথা বলেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) কক্সবাজারে দিনব্যাপী এ ওয়ার্কশপের আয়োজন করে বিওআরআই। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৪০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

বিওআরআই মহাপরিচালক বলেন, আমাদের যে সমুদ্রসীমা রয়েছে তা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সমুদ্র অঞ্চল। কিন্তু সেখানে যা আছে তা

বঙ্গোপসাগরের বালুতে পাওয়া গেছে বিশ্বের অন্যতম দামি খনিজ পদার্থ ইউরেনিয়াম। এটি সাধারণ মাত্রার চেয়েও বেশি পরিমাণে আছে এবং প্রযুক্তি হাতে পেলে খুব সহজেই আহরণ করা সম্ভব।

ব্লু ইকোনমি বিষয়ে সাংবাদিকদের একটি ওয়ার্কশপে বক্তব্য দিতে গিয়ে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিওআরআই) মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর এসব কথা বলেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) কক্সবাজারে দিনব্যাপী এ ওয়ার্কশপের আয়োজন করে বিওআরআই। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৪০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

বিওআরআই মহাপরিচালক বলেন, আমাদের যে সমুদ্রসীমা রয়েছে তা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সমুদ্র অঞ্চল। কিন্তু সেখানে যা আছে তার ৯৫ শতাংশই আমাদের অজানা। সমুদ্রতীর থেকে মাত্র ১০-১২ কিলোমিটার পর্যন্ত আমাদের জেলেরা মাছ ধরতে যায়। আবার মাত্র ৩০-৪০ ফুট গভীর পর্যন্ত তারা মাছ ধরে। এর বাইরে বিশাল যে সমুদ্র রয়েছে সেগুলোতে বিশ্বের অন্যতম দামি বেশ কিছু মাছ রয়েছে। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেগুলোতে আমাদের কোনো কার্যক্রম নেই।

‘সাগরে যা আছে তার ৯৫ শতাংশই আমাদের অজানা’

এই সমুদ্র বিজ্ঞানী আরও বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা মাত্র ৩টি বছর পেরিয়েছি। নানান সীমাবদ্ধতা নিয়েও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি গবেষণা করতে। গবেষণার জন্য আমাদের বিশেষায়িত জাহাজ নেই। আমাদের পর্যাপ্ত জনবল নেই। আর তেল-গ্যাসের মতো সমুদ্রের অধীক গভীরে থাকা খনিজ পদার্থ নিয়ে গবেষণার প্রযুক্তিও নেই। তবে আমরা আশাবাদী খুব দ্রুতই এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে দেশকে ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো।

অনুষ্ঠানে কি-নোট স্পিকার ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসলেম উদ্দীন। এছাড়া বিওআরআইয়ের বিভিন্ন বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা নির্ধারিত বিষয়ের উপরে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

ও আমাদের অজানা। সমুদ্রতীর থেকে মাত্র ১০-১২ কিলোমিটার পর্যন্ত আমাদের জেলেরা মাছ ধরতে যায়। আবার মাত্র ৩০-৪০ ফুট গভীর পর্যন্ত তারা মাছ ধরে। এর বাইরে বিশাল যে সমুদ্র রয়েছে সেগুলোতে বিশ্বের অন্যতম দামি বেশ কিছু মাছ রয়েছে। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেগুলোতে আমাদের কোনো কার্যক্রম নেই।

‘সাগরে যা আছে তার ৯৫ শতাংশই আমাদের অজানা’

এই সমুদ্র বিজ্ঞানী আরও বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা মাত্র ৩টি বছর পেরিয়েছি। নানান সীমাবদ্ধতা নিয়েও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি গবেষণা করতে। গবেষণার জন্য আমাদের বিশেষায়িত জাহাজ নেই। আমাদের পর্যাপ্ত জনবল নেই। আর তেল-গ্যাসের মতো সমুদ্রের অধীক গভীরে থাকা খনিজ পদার্থ নিয়ে গবেষণার প্রযুক্তিও নেই। তবে আমরা আশাবাদী খুব দ্রুতই এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে দেশকে ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো।

অনুষ্ঠানে কি-নোট স্পিকার ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসলেম উদ্দীন। এছাড়া বিওআরআইয়ের বিভিন্ন বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা নির্ধারিত বিষয়ের উপরে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.