এইমাত্র পাওয়া

ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালায় শিক্ষকদের শাস্তির বিধান

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম আর দুর্নীতির অসংখ্য অভিযোগ জমা হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষকদের হেনস্থা হওয়া, কারণে-অকারণে বরখাস্ত করা, নিয়ম ভেঙে নিয়োগ বাণিজ্য, অবসরভাতা ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগই বেশি। এরইমধ্যে এর সত্যতাও খুঁজে পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ। এ অবস্থায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রবিধানমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, নতুন সংশোধনীতে শিক্ষকদের কী কী কারণে এবং কী ধরনের শাস্তি দেয়া যাবে তা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।

সংশোধনীতে থাকছে

# কোনো শিক্ষক অদক্ষ, দুর্নীতি, কর্তব্যে অবহেলা, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের পরিপন্থি কাজ করলে তাকে শাস্তি দেয়া যাবে। তবে তদন্ত কমিটির সুপারিশে শাস্তি কার্যকর করতে হবে।

# পরিচালনা কমিটি ছোটখাটো অভিযোগে চাইলেই প্রধান শিক্ষক কিংবা অন্য শিক্ষকদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

# কাউকে দুই মাসের বেশি বরখাস্ত করে রাখতে পারবে না। রাখলে পুরা বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে। তবে বরখাস্ত বা অপসারণের প্রস্তাব শিক্ষা বোর্ডের আপিল ও সালিশি কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষিত হতে হবে এবং বোর্ডের অনুমোদন লাগবে।

# পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা পারিশ্রমিক নিতে পারবে না।

# সভা বাবদ কী পরিমাণ অর্থ পরিচালনা কমিটি খরচ করতে পারবে তাও প্রবিধানে নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে।

# কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না করলে পরিচালনা কমিটিকে বোর্ডের কাছে জবাবদিহি করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

# এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর পর তিন বছর ফলাফল খারাপ করলে সরকারি অনুদান বাতিল করা হবে। প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি বাতিলের বিষয় থাকছে সংশোধনীতে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.