নিউজ ডেস্ক।।
সপ্তাহের শুরুতে হঠাৎই কাশ্মীরের পরিস্থিতি জটিল রূপ ধারণ করে। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি, পর্যটকদের উপত্যকা ছাড়ার নির্দেশনা, অমরনাথ যাত্রা বন্ধ করে দেয়া; সবমিলিয়ে অন্ধকারে ছিল পুরো ভারতবর্ষ। মঙ্গলবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের ঘোষণা দেন। এতে কাশ্মীর তার বিশেষায়িত রাজ্যের মর্যাদা হারায়। সেই ঘোষণা থেকে অন্ধকারেই ছিল কাশ্মীর উপত্যকা। জারি রয়েছে কার্ফিও।
বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে দিল্লি সরকার। তারই অংশ হিসেবে আজ খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অফিস।
মোদি তার ভাষণে বলেছেন, জম্মু-কাশ্মীরে ভোট হবে, মানুষ নিজের বিধায়ক-মুখ্যমন্ত্রী পাবেন। ইদে বাড়ি ফেরার সুযোগ পাবেন প্রবাসী কাশ্মীরিরা। আয় হবে। হবে উন্নয়নও। আসবে বিনিয়োগ। সর্বোপরি রাজ্যের মর্যাদাও আবার ফিরে পাবে জম্মু-কাশ্মীর।
সেই বক্তব্যের পর উপত্যকার পরিস্থিতি বদলাতে আজই নেয়া হচ্ছে নতুন উদ্যোগ। কাশ্মীরে স্কুল খুলবে। আজ থেকেই সরকারি কাজে যোগদান করবেন কর্মীরা। জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি বলা হয়েছে, শ্রীনগরে প্রশাসনিক স্তরের সরকারি কর্মীদের কাজে যোগদানের জন্য রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
