এইমাত্র পাওয়া

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি ১০ নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক।। 

চলতি বছরের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। যদিও এখনো পরীক্ষার চূড়ান্ত রুটিন প্রকাশ করা হয়নি, তবে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও পরীক্ষার্থীদের জন্য পালনীয় নির্দেশনাবলি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

রোববার (২২ মার্চ) এই নির্দেশনা জারি করে অধিদপ্তর।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দুটি ধাপে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপের সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট (বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট পাবেন)।

মান বণ্টন

প্রথম ধাপ: বাংলা, ইংরেজি ও গণিত (মোট ১০০ নম্বর)।

দ্বিতীয় ধাপ: প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (৫০+৫০ = ১০০ নম্বর)।

পাস নম্বর: বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

বৃত্তির ধরন ও কোটা

নীতিমালা অনুযায়ী বৃত্তি দেওয়া হবে দুই ক্যাটাগরিতে: ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ। ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সমান সমান (৫০%) কোটা থাকবে। মোট বৃত্তির ৮০% পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বাকি ২০% পাবেন বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি জরুরি নির্দেশনা

পরীক্ষার হলে বিশৃঙ্খলা এড়াতে ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের নিচের ১০টি নিয়ম অবশ্যই মানতে হবে:

১. প্রবেশপত্র: প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না। নির্ধারিত সময়ের আগেই হলে উপস্থিত হতে হবে।

২. নিষিদ্ধ বস্তু: ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না।

৩. উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠা (ওএমআর) : উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কিছু লেখা যাবে না।

৪. শিক্ষকের স্বাক্ষর: উত্তরপত্রে অবশ্যই দায়িত্বরত শিক্ষকের (ইনভিজিলেটর) স্বাক্ষর থাকতে হবে, অন্যথায় খাতা বাতিল হবে।

৫. পরিচয় গোপন রাখা: উত্তরপত্রের ভেতরে পরীক্ষার্থীর নাম, ঠিকানা বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৬. খসড়া কাজ: আলাদা কোনো কাগজ দেওয়া হবে না। উত্তরপত্রেই খসড়া করে পরে তা কেটে দিতে হবে।

৭. অন্যত্র লেখা নিষিদ্ধ: টেবিল, স্কেল বা শরীরের কোথাও কোনো কিছু লেখা যাবে না।

৮. হল ত্যাগ: প্রশ্নপত্র দেওয়ার পর অন্তত ১ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কেউ হলের বাইরে যেতে পারবে না।

৯. খাতা জমা: পরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত শিক্ষকের কাছে খাতা বুঝিয়ে দিয়ে তবেই হল ছাড়তে হবে।

১০. কর্তৃপক্ষের নিয়ম: এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে।

পরীক্ষা চলাকালে আচরণের নির্দেশিকা

– পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা যাবে না;

– প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে কিছু লিখে অন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বিনিময় করা যাবে না;

– প্রশ্নপত্র ছাড়া অন্য কোনো কাগজপত্র বা অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা যাবে না বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না;

– উত্তরপত্র ইনভিজিলেটরের কাছে দাখিল না করে উত্তরপত্রসহ পরীক্ষার হল ত্যাগ করা যাবে না;
উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন ও বিনষ্ট করা যাবে না।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.