এইমাত্র পাওয়া

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান-সহপ্রধান নিয়োগে শূন্যপদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক :
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহপ্রধান পদে নিয়োগের জন্য শূন্যপদের অনলাইন সফটকপির তালিকা আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

বৃহস্পতিবার এনটিআরসিএর পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়। চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহপ্রধান—যার মধ্যে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদ অন্তর্ভুক্ত—নিয়োগ সংক্রান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটির ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

ওই সিদ্ধান্তের আলোকে ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহপ্রধান পদে নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সঠিক ও নির্ভুল শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ জরুরি হয়ে পড়েছে।

এনটিআরসিএ জানায়, এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অধিদপ্তরভিত্তিক যাচাইকৃত ও নির্ভুল শূন্যপদের চাহিদা অনলাইন সফটকপির মাধ্যমে সংগ্রহ করা প্রয়োজন। সে প্রেক্ষিতেই নির্ধারিত ছক অনুযায়ী তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, শূন্যপদের তালিকায় অথরিটি, ডিএন কোড, প্রতিষ্ঠানের নাম, ডিস্ট্রিক্ট কোড, জেলার নাম, থানা কোড ও থানার নামসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এনটিআরসিএ নির্দেশনায় উল্লেখ করে, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে উল্লিখিত তথ্য অনলাইন সফটকপির মাধ্যমে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতি আসবে এবং নিয়োগ কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক হবে।
 


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading