কিশোরগঞ্জঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মানসম্মত শিক্ষায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভৈরবের ১০৭ টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনের দাবি জানান শিক্ষকরা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টায় ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে উদয়ন স্কুলের আয়োজনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভৈরব উদয়ন স্কুলের পরিচালক মতিউর রহমান সাগরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার স্বপ্না বেগম, ভৈরব উদয়ন স্কুলের সভাপতি জাকির হোসেন কাজল, সাংবাদিক সুমন মোল্লা, ডা.আব্দুল্লাহ আল মারুফ, মনিংসান স্কুলের প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান বাবুল প্রমূখ।
সভায় অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, ভৈরবে ১০৭ টি বেসরকারি স্কুল রয়েছে। সেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার জন্য সরকারি তদারকিসহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্রয়োজন। এছাড়া বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় দক্ষ শিক্ষক হয়ে উঠছে না। যার ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
উদয়ন স্কুলের পরিচালক মতিউর রহমান সাগর বলেন, শিক্ষা কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নেও রয়েছে নানামুখি চ্যালেঞ্জ। ‘মানসম্মত শিক্ষা’ নিশ্চিত করতে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারী তথা প্রাইভেট (মালিকানাধীন) প্রতিষ্ঠানের চ্যালেঞ্জগুলোও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে স্থানীয় প্রেক্ষাপটে, ভৈরব একটি দ্রুত-বর্ধনশীল নগর এলাকা হিসাবে এই অঞ্চলের প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা যেমন বেশি রয়েছে, তেমনি চ্যালেঞ্জও অনেক বেশি। এই সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজন যথাযথ পরিকল্পনা, সমন্বয় ও কৌশল নির্ধারণ।
এ বিষয়ে প্রধান অতিথি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রাইভেট এডুকেশন সেক্টরে অনেক সুনামধারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তাদের অনেকের শিক্ষার মানও অনেক প্রশংসার দাবি রাখে। চমৎকার অবদান রয়েছে‘সবার জন্য শিক্ষা’ ও ‘মানসম্মত শিক্ষা’য়। আবার, অনেক প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার লড়াইয়ে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেও এগিয়ে চলেছে। অনেক শিক্ষানুরাগী নিজের এলাকায় শিক্ষাকে গতিশীল করতে প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। অনেক প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান কোন কোন ক্ষেত্রে অনেক সরকারী বা এমপিও প্রতিষ্ঠানের চেয়েও উন্নত। তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
তথাপি, প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এধরনের আরও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা সমাধানে উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে সবাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২০/০৩/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
