নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুস সামাদকে ওএসডি করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে সই করেছেন উপসচিব মো. আলমগীর কবির।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
এদিকে প্রাথমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আব্দুস সামাদের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সহকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণসহ নানা অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ানোসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ২৭ আগস্ট থেকে ধারাবাহিক আন্দোলন-কর্মসূচী পালন করে আসছেন তারা।
বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে ন্যূনতম কোনো ধারণা না থাকা এ কর্মকর্তা বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণে তাকে প্রাথমিক শিক্ষার মহাপরিচালকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ হতে দ্রুত অপসারণ করে শিক্ষাবান্ধব ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে পদায়নের দাবি জানান তারা।
কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার দায়িত্বগ্রহণের পর ২০ আগস্ট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আসেন। সেদিন মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় মহাপরিচালক তার নির্বাচিত কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে গোপনে সব আয়োজন শেষ করেন। এছাড়া সভায় তিনি তার পছন্দের মাত্র ছয়জন ব্যক্তিকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন। যাদের সবার কাছ থেকেই সভার দিন সকালবেলা বক্তব্যের স্ক্রিপ্ট জমা নেন।
সাবেক সংসদ সদস্য ও যুবলীগ নেতা মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সুপারিশে মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান আব্দুস সামাদ। বিতর্কিত, দুর্নীতিবাজ ও পদলোভী কিছু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তিনি তার মহাপরিচালক পদ ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/১১/০৯/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
