সনদ ও ভাতা পেলেন ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণার্থীরা

শেরপুরঃ জেলার নকলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও ভাতা বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার জেলার নকলাস্থ ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেড এর মিলনায়তনে সনদপত্র ও ভাতা বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণায়লয়ের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় ‘শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশি যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্প’-এর অর্থায়নে এবং ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেড শেরপুরের ব্যবস্থাপনায় ও আয়োজিত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শেরপুর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নূরুজ্জামান চৌধুরী।

শেরপুর ই-লার্নিং ট্রেনিং সেন্টার শেরপুর ব্রাঞ্চের কো-অর্ডিনেটর রফিকুল ইসলাম তৌফিক-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মো. বেলায়েত হোসেন আকন্দ। এছাড়া শেরপুর ই-লার্নিং ট্রেনিং সেন্টার শেরপুর ব্রাঞ্চের সহকারী কো-অর্ডিনেটর ফারহানা আক্তারসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী ৪০ জন আত্মপ্রত্যয়ী যুবক-যুবনারী উপস্থিত ছিলেন।

ই-লার্নিং ট্রেনিং সেন্টার শেরপুর ব্রাঞ্চের কো-অর্ডিনেটর রফিকুল ইসলাম তৌফিক জানান, এই প্রকল্পের আওতায় বেকারত্ব দূরীকরণে ও স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতি ব্যাচে ৪০ জন করে শিক্ষিত যুবক-যুবনারী প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে ভর্তি করা হয়। প্রশিক্ষণের শুরুতেই প্রশিক্ষার্থীদের মাঝে স্ব স্ব ল্যাপটপ বহন করার জন্য উন্নত মানের একটি করে ব্যাগ, কলম ও নোট খাতা প্রদান করা হয়।

এতে প্রশিক্ষণার্থীদের ৩ মাসে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে ৭৫টি ক্লাস করানো হয়। আর প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও যাতায়াত ভাতা বাবদ প্রতিজনে ১৩ হাজার ১০০ টাকা করে (ভ্যাট/ট্যাক্স বাদে) প্রদান করা হয়। এর অংশ হিসেবে বুধবার ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেডের ফ্রিল্যান্সিং প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের মাঝে সনদপত্র ও যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো জানান ই-লার্নিং ট্রেনিং সেন্টার শেরপুর ব্রাঞ্চে বর্তমানে তৃতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণ চলছে।

শিক্ষিত যুবক-যুবনারীদের বেকারত্ব দূরকরে তাদেরকে আত্বনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে এই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ (ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সুশীলজন মনে করছেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (গ্রেড-১) এর মহাপরিচালক শেরপুরের কৃতি সন্তান মো. আজহারুল ইসলাম-এঁর সুদৃষ্টির কারনেই শেরপুরের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবনারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের পথ সুগম হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৯/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.