মোঃ আজাদ।।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিশ্বের দরবারে আজ বাংলাদের মানদন্ডের পরিবর্তন হলো। বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। শুধুমাত্র বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থ্যার তেমন কোন পরিবর্তন আজ ও হয়নি। তবে ইতিমধ্যে অবশ্যই জননেত্রী শেখ হাসিনা আপনি বিশাল পদক্ষেপ নিয়ে একসাথে ২৭৩০ টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এমপিওভুক্তি করেছেন যা শিক্ষক সমাজের অনেক বড় প্রাপ্তি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি ছাড়া দেশের উন্নয়ন করার জন্য কারো তেমন চিন্তা নাই। আপনার দ্বারা দেশের চলমান উন্নয়ন এগিয়ে যাচ্ছে। আপনি যদি শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, পেনশন, বদলি, গৃহঋণ, পাহাড়ি ভাতা, টিফিন ভাতা, হাউজ লোন এবং বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তন বন্ধ করা ইত্যাদি বৈষম্য বিলোপ করেন। তাহলে শিক্ষায় প্রাণ ফিরে পাবে এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি দেশের উন্নয়নে অনেক দুঃসাহসিক পরিকল্পপনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।নিজস্ব অর্থায়নে অত্যন্ত ব্যয়বহুল পদ্মা সেতুর কাজ আজ বাস্তবায়নাধীন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য ব্যয়বহুল এমনি অনেক পরিকল্পপনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তাই বেসরকারি শিক্ষকগণ আশা করছেন, বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকারই পারবে দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা সরকারিকরণের মতো দুঃসাহসিক কাজটি সম্পাদন করতে।
আপনার সুযোগ্য পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ জয় করার পর একসাথে ৩৭,০০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর বেসরকারি প্রায় ৪০,০০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি জাতীয়করণের ঘোষনা দেয়ার মত সাহসিকতা কোন রাষ্ট্রপ্রধানের নেই? যে সাহস ছিল বঙ্গবন্ধুর। আশা করি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সে সাহস দেখাতে পারবেন।
আর তাছাড়া সরকারপ্রধান যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি এবং রিজার্ভ ফান্ড সহ সকল ছাত্র, ছাত্রীর বেতন সরকারের কোষাগারে নেন তাহলে আর জাতীয়করণ করতে তেমন কোন সমস্যা হবে না। জাতীয়করণ করলে সরকারের আলাদা একটা আয়ের উৎস হবে। অনেক দরিদ্র ছাত্র, ছাত্রী ভাল মানের স্কুলে পড়তে পারবে, অভিভাবকদের ব্যয় কমবে। বিভিন্ন নামি দামি স্কুলের শিক্ষকগণ প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা দানের সুযোগ পাবে। আর শিক্ষকদের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা ও বৃদ্ধি পাবে। ভালো মানের শিক্ষক শিক্ষকতা পেশায় আসবে।
সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ, আপনি যদি বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীতে দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণ করেন, তাহলে আপনি আপনার পিতার মত ইতিহাস হয়ে থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থান পাবেন পাঁচ লক্ষাধিক বেসরকারি শিক্ষকের হৃদয়ের মণিকোঁঠায়।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
