বাণিজ্যসচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনসচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রক ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান বরাবর ওই নোটিশ পাঠানো হয়।
পরে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ। কিন্তু অতিরিক্ত দামের কারণে দরিদ্র মানুষ তা কেনার কথা কল্পনাও করতে পারে না। এমনকি মধ্যবিত্ত শ্রেণিও কিনতে পারে না। জনগণের চাহিদা সত্ত্বেও বাণিজ্যসচিব ৪ সেপ্টেম্বর ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছেন। ভারতে ইলিশ রপ্তানির কারণে দেশের বাজারে ইলিশের দাম বাড়ছে।
অন্যদিকে দেশের বাজারে ইলিশের যে দাম, তার চেয়ে ভারতে রপ্তানিমূল্য কম। তাই স্থায়ীভাবে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে ওই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না দেওয়া হলে উচ্চ আদালতে রিট করবেন বলে জানিয়েছেন নোটিশদাতা এই আইনজীবী।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
