শনিবার, ২০শে এপ্রিল ২০২৪

নিউজ ডেস্ক।।

মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও এখন থেকে বিশেষ মঞ্জুরি পাবেন। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সিনিয়র সহকারী সচিব সিরাজুছ ছালেকীন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিশেষ মঞ্জুরির টাকা বিতরণে নীতিমালা জারি করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিশেষ মঞ্জুরির টাকা পেতে আবেদন করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা, দৈব দুর্ঘটনা ও চিকিৎসার খরচের জন্য বিশেষ মঞ্জুরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী, অসহায়, অসচ্ছল ও মেধাবী, অনগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের এই বিশেষ মঞ্জুরির জন্য আবেদন শুরু আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি, যা চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ।।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ১ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী (৩ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।“স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গনে এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে” স্লোগানকে হৃদয়ে ধারণ করে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয় ১৯৯৩ থেকে ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুল কাদের, ও জাকিয়া ফেরদৌস। অনুষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের অফিসারবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লেঃ কর্নেল মোঃ ফেরদৌস-উর রহমান খান, ইঞ্জিনিয়ার্স এবং নাজনীন নাহার লুনা। সকালে অধ্যক্ষের নেতৃত্বে আগত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে র্যা লির মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অতিথিবৃন্দের মাঝে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, পিলো পাসিং, শিশু অতিথিদের মাঝে মোরগ লড়াই, ভারসাম্য দৌড় প্রতিযোগিতা এবং আকর্ষণীয় র্যা ফেল ড্র এর আয়োজন করা হয়। দিনশেষে সন্ধ্যায় শুরু হয় বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সবশেষে অনুষ্ঠিত হয় ওয়ারফেজ ব্যান্ড দল কর্তৃক ব্যান্ড সঙ্গীত। অনুষ্ঠান শেষে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে অ্যালামনাই এসোসিয়েশন গঠন করা হয়। এর সদস্যরা হলেন- মাসুদ আহমেদ শিকদার, আব্দুল্লাহ আল মামুন সজিব, খালেকুজ্জামান খান সম্রাট, মোঃ সাইফুল ইসলাম তারেক, আইরিন পারভীন আঁখি, খালেদ মহিউদ্দিন আলমগীর, মোঃ সোলায়মান, আবদুল আহাদ বাঁধন, মোঃ নূর-এ-আলম সিদ্দিকী। এই জাঁকজমকপূর্ণ মিলনমেলায় প্রধান অতিথি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য ও উন্নতি কামনা করেন এবং তিনি অনুষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মহোদয় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দকে স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন তারা হলেন-গোপালগঞ্জ জেলার এডিসি শেখ মোঃ জোবায়ের আহমেদ,

কাজী গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কাজী আবু সাঈদ, এসএমএস টেকনোলজির সিইও মাসুদ আহমেদ শিকদার, ম্যাথমোজো আইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ খালেকুজ্জামান সম্রাট, মোঃ রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করেন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম আরিফুল ইসলাম, জামালপুর জেলার সহকারী জজ উপেন্দ্র চন্দ্র দাস।

ভেড়ামারা অফিস :

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগে ঢাকা মিরপুর ১৪ তে অবস্থিত দেশের একমাত্র সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের 'প্রভাষক' পদে যোগদান করলেন কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার কৃতিসন্তান বিশ্বাস ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা. আনোয়ার এইচ বিশ্বাস। তিনি গত ৫ই ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন নং- ৫৯.০০.০০০০.১১১.৯৯.০০৩.১৯.১৯৮ তে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে যোগদান করেন। উল্লেখ্য, ডা. আনোয়ার এইচ বিশ্বাস তিনি গ্রাম বদলের চেষ্টায় সমাজসেবা মূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিশ্বাস ফাউন্ডেশন, শেরপুর মহিলা উন্নয়ন সংস্থা, বীর মুক্তিযোদ্ধা যুব উন্নয়ন সংস্থা, হাফেজ স্মৃতি পাঠাগার, শেরপুর দারুল কোরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানা এর প্রতিষ্ঠাতা।###

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৩/১২/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

 

নিউজ ডেস্ক।।

জাতীয় নির্বাচনের কারণে এবার বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি বই উৎসব করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে স্কুলে ভর্তির লটারি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি জানান, এবার বই উৎসবটা ঠিক ১ তারিখে (জানুয়ারি) করবো নাকি নির্বাচনের পরে ১০-১১ তারিখে হবে, সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে। আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি।

মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অনুষ্ঠানে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের লটারি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকে যে লটারিটা হচ্ছে, সেটাও আরও পরে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা নভেম্বরের মধ্যেই এটা শেষ করছি আজকে। আবার বার্ষিক পরীক্ষা, বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়নও এগিয়ে এনে দ্রুত শেষ করছি। নির্বাচনের আগের যে পরিবেশ-পরিস্থিতি সেটা আমাদের অবশ্যই মাথায় নিতে হবে, বিবেচনা করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেগুলো এখনো ছাপানো শুরু হয়নি। সেগুলো সব ছাপানো শুরু হয়ে যাবে। বই উৎসব যখনই করি না কেন, শতভাগ বই শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

ডা. দীপু মনি বলেন, বই উৎসব নিয়ে এখন আমাদের ভাবতে হচ্ছে। যেহেতু ৭ জানুয়ারি নির্বাচন। নির্বাচনের পরের সময়টা আসলে কেমন থাকবে, সেটাও আমাদের একটু বিবেচনায় নিতে হবে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়। সে কারণে এবার বই উৎসবটা ঠিক ১ তারিখে করবো নাকি নির্বাচনের পরে ১০ থেকে ১১ তারিখ করবো, সেটা নিয়ে একটু সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি। সার্বিক অবস্থাটা বিবেচনায় নিয়ে খুব শিগগির সেটা জানাতে পারবো।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৯/১১/২০২৩  

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

নিউজ ডেস্ক।।

দিনকয়েকের বিরতিতে সাগরে আবারো একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। আগামী শুক্রবার নাগাদ এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে নাম হবে মিগজাউম, নামটি দিয়েছে মিয়ানমার। নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী সপ্তাহে দেশে বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়া বিভাগ জানায়, লঘুচাপ সৃষ্টি হলেও আগামী সপ্তাহে বৃষ্টির নামার আগ পর্যন্ত দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত এবং দিনের বিদ্যমান তাপমাত্রারও খুব বেশি হেরফের হবে না। প্রায় একইরকম থাকবে।

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে যে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি পশ্চিম ও উত্তর–পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও আরও ঘনীভূত হতে পারে।

গতকাল সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সীতাকুণ্ডে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৯/১১/২০২৩  

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

বাংলাদেশে ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ার যে প্রভূত উন্নতি হয়েছে, তাহা অস্বীকার করিবার উপায় নেই । বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে ছাপিয়ে আমাদের স্লোগান হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন। ইহা ডিজিটাল বাংলাদেশের আরো উন্নত ভার্শন বা রূপ। এই স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনেরও মৌলিক ভিত্তি তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নতি সাধন। এই উন্নতির জন্য স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তথা নূতন প্রজন্মকে আগে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করিয়া তোলার কোনো বিকল্প নেই। ইহার অংশ হিসাবে সরকার বিশেষত মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব চালু করেছে। ইহা একটি মহতী উদ্যোগ নিঃসন্দেহে। কিন্তু দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ডিজিটাল ল্যাবগুলির অবস্থা শোচনীয়। এইখানকার কম্পিউটারগুলি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। কাগজে কলমে আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হইলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইসিটি বিষয়ের শিক্ষকই নেই।

পত্রিকান্তরে প্রকাশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯০ শতাংশ ডিজিটাল ল্যাবের অবস্থা করুণ। ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ নষ্ট হওয়ার কারণে তা ব্যবহারের অনুপযোগী। ব্যাবহারিক পরীক্ষার নম্বর দেওয়া হচ্ছে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকার কারণে ধুলাবালির আস্তরণ জমেছে কম্পিউটার ও চেয়ার-টেবিলগুলিতে। এতে শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাবহারিক জ্ঞান হতে বঞ্চিত হচ্ছে।  প্রতিটি ল্যাবে ১৭টি ল্যাপটপ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। এই সরঞ্জামাদি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

 শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬০ শতাংশের অধিক বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব নেই। যেইখানে নেই , সেখানে পর্যায়ক্রমে হলেও ল্যাব প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন। পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক না থাকিলে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাপ্রসারের মূল লক্ষ্য অর্জন হবে সুদূর পরাহত। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৯৮১টি। তন্মধ্যে ১০ হাজার ৯৯৩টিতে কম্পিউটার বিষয়ে কোনো শিক্ষক নেই। সেই হিসাবে এ দুই স্তরের প্রায় ৩২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানেই নেই তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ের পাঠদানের কোনো বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক। ফলে কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান কিংবা গণিতের শিক্ষক দ্বারা কোনোমতে জোড়াতালি দিয়া চলছে এই বিষয়টির পাঠদান। তদুপরি ল্যাবে দেওয়া কম্পিউটারগুলির ভার্শন বেশ পুরাতন। করোনা মহামারির কারণে স্কুল ও কলেজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ল্যাপটপগুলি চার্জ দেওয়া হয় নাই। ইহাতে অধিকাংশ ল্যাপটপের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। ইহা মেরামতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গাফিলতিও লক্ষণীয়।

এই ক্ষেত্রে আমরা মনে করি, সরকারিভাবে মেরামতের জন্য কোনো নির্দেশনা বা অনুদানের অপেক্ষা করে বসে থাকাটা যুক্তিসংগত নয়। শিক্ষার্থীরা যে ল্যাব ফি দেয়, তা দিয়ে  মেরামত করা যেতে পারে। তবে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল ল্যাবে ব্যবহূত কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী মেরামতের জন্য প্রত্যেক জেলায় খুলতে পারে সার্ভিস সেন্টার।এতে বেকার সমস্যা যেমন লাঘব হবে, তেমনি নষ্ট কম্পিউটার-ল্যাপটপ ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি নিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরগুলিতে শিক্ষকদের দৌড়াদৌড়ি করিতে হইবে না। এতে ল্যাবগুলো সচল থাকবে। সর্বপরি ল্যাবের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং আইসিটি শিক্ষা কাগজে কলমে ব্যবহার না করে বাস্তবতা নিরিখে ব্যবহার করা হোক।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৮/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

উপজেলা প্রতিনিধী, মিরপুর।

এইস,এসসি রেজাল্ট ২০২৩ প্রকাশিত হওয়ার পর কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের সাগরখালী নদীর তীরে অবস্থিত "সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ " মিরপুর উপজেলার সকল কলেজের ভিতর প্রথম স্থান অর্জন করেছে।

সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি (জেনারেল) রেজাল্ট
মোট পরীক্ষার্থী=১৫৭
পাশ- ১৪৬
এ+ = ১৬ জন
পাশের হার=৯৩℅

বি এম শাখা

মোট পরীক্ষার্থী= ১২৫
পাশ- ১২৫
এ+= ১৩ জন
পাশের হার =১০০%

মিরপুর উপজেলার প্রথম
কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে - পঞ্চম

এ বিষয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,শিক্ষার মান উন্নয়নে আমরা শিক্ষকগণ নিরলস ভাবে কাজ
করে যাচ্ছি,যার ফলে আমরা উপজেলার প্রথম হতে পেরেছি।

নিউজ ডেস্ক।।

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক সামছুল হুদা লিটন এর গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম ভূঁইয়া সহ ১০১ জন কেন্দ্রীয় নেতা। তিনি বলেন বিনা অপরাধে শিক্ষকদের গ্রেফতার করে অবৈধ সরকার প্রতিবেশী দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন ।  শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা করে গনতান্ত্রিক আন্দোলন বন্ধ কার যাবেনা বলে তিনি মনে করেন। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অধ্যাপক সামছুল হুদা লিটন এর নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

তুচ্ছ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নারী শিক্ষার্থীসহ দুইজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীরা হলেন- জবির ১৫তম ব্যাচের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে তহমিনা জেরিফ মিশু এবং একই ব্যাচের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী ছোলায়মান খান।এ ঘটনায় বুধবার (১ নভেম্বর) ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর পৃথক দুটি অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, গত সোমবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় টিএসসির পেছনে ছোলায়মান ও তার বন্ধু মিশু চা শেষ করে কাপ দিতে যায়। তখন সেখানে বসার টুল না থাকায় এটা নিয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ছোলায়মান থামাতে গেলে সাদেক আক্রমণাত্ম হয়ে ওঠে। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১২ ব্যাচের হিমু ও শুভসহ আরও ৪-৫ জন শিক্ষার্থী। তারা পূর্বের কোন ঘটনা না জেনেই তাদের উপর চড়াও হয় এবং বাকবিতণ্ডা শুরু করে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ভুক্তভোগীরা স্থান ত্যাগ করার চেষ্টা করলে তারা তাদের বাঁধা দিয়ে বেধড়ড়ক মারধর শুরু করে। এতে ছোলায়মান মাথায়, হাতে এবং ঘাড়ে প্রচণ্ড আঘাত পান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত সাদেক খান, শুভ সাহা ও শরিফুল ইসলাম হিমু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজির অনুসারী। এছাড়া সাদেক হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জেরিফ মিশু বলেন, ‘আমাকে সবাই মিলে মারতে গেলে সঙ্গে থাকা আমার বন্ধু ছোলায়মান বাঁচাতে যায়। তারা ছোলায়মানের গায়ে গা হাত দেয় এবং ধাক্কাতে থাকে। আমি বাঁধা দিতে গেলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলার হুমকি দেয় এবং বেধড়ক মারধর করতে থাকে। ছোলায়মান আমাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। আমাদের মারতে মারতে গলি থেকে রাস্তায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে আমার বন্ধুকে আরও মারধর করার হুমকি দেয়।’

আরেক ভুক্তভোগী ছোলায়মান খান বলেন, ‘সাদেকসহ ছাত্রলীগের কর্মীরা আমাকে টেনে হেঁচড়ে মারধর করে এবং আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমরা প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমাদের ওপর হওয়া এমন নিকৃষ্টতম অত্যাচারের বিচার দাবি করছি। এমন বিধ্বংসী শিক্ষার্থীদের আগ্রাসন থেকে আশ্রয় প্রদান কামনা করছি।’

কথা বলতে অভিযুক্ত সাদেক খান ও শুভ সাহাকে বারবার কল দেওয়া হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অপর অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম হিমু বলেন, ওই মেয়ের সঙ্গে আমার কোনো বাকবিতণ্ডা হয়নি। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন কথা। আমরা ফটোকপির দোকানে গিয়ে দেখি আমাদের ছোট ভাইদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হচ্ছে। আমি গিয়ে জানতে চাইলে তর্ক হয়। ওই মেয়ে জুনিয়র হয়েও আমাদের উপর কয়েকবার জুতা তুলেছে। গরম চা ছুড়ে মারছে। আমার কলার ধরলে সিনিয়র হিসেবে ওই ছেলেকে দুইটা থাপ্পড় দিয়ে তাদের চলে যেতে বলেছি।বিষয়টি নিয়ে জবি ছাত্রলীগ সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজী বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে প্রক্টর অফিস থেকে আমাকে এখনও কিছু জাননো হয়নি। বিষয়টি কি হয়েছে তা দেখে জানাবো। অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আবার অভিযোগ দিতে বলেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০২/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

বিবিসি:

পাকিস্তানে হাজার হাজার আফগান শরণার্থী ও অভিবাসী আফগান সীমান্তের দিকে ছুটছে। পকিস্তান সরকারের দেওয়া সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা দলে দলে সীমান্তের দিকে ছুটছে। চলতি মাসের শুরুতে পাকিস্তানের অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অথ্যৎ গতকাল মঙ্গলবার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন।

গত মঙ্গলবার ছিল তার শেষ দিন। চলে না গেলে গ্রেপ্তার ও নির্বাসনের মুখোমুখি হতে হবে বলে অনথিভুক্ত আফগান শরণার্থী ও অভিবাসীদের জানিয়ে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘোষণার পর থেকে অনেক শরণার্থী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তান সরকার বলছে, পাকিস্তানে ৪০ লাখের বেশি বিদেশির বাস। এর মধ্যে বড় একটি অংশ আফগান নাগরিক।

যারা আশির দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসনের পর থেকে আশ্রয় খুঁজে নিয়ে পাকিস্তানে এসেছিলেন। এরপর তালেবান ২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর ছয় থেকে আট লাখ আফগান নাগরিক পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছেন বলে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলছেন। পাকিস্তান সরকারের দাবি, প্রায় ১৭ লাখ আফগান নাগরিক নথিভুক্ত নন। এই ১৭ লাখ মানুষকে ১ নভেম্বরের মধ্যে পাকিস্তান ত্যাগ করতে হবে। সাদিয়া নামে একজন আফগান তরুণী বলেন, ‘পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য হলে আমরা কোথায় যাব?’ সাদিয়া উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের পেশোয়ারে অধ্যয়নরত ছিলেন। তিনি আরো জানান, দুই বছর আগে শিক্ষা লাভের সুযোগের জন্য আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানে পালিয়ে এসেছিলেন। কারণ তালেবান সরকার ইসলামিক আইনের কঠোর সংস্করণের অধীনে মেয়েদের স্কুলে যেতে বাধা দেয়। তিনি বিবিসি উর্দুকে বলেছেন, ‘আমি এখানে পাকিস্তানে পড়াশোনা করছি এবং আমি এখানেই আমার শিক্ষা চালিয়ে যেতে চাই।

যদি আমাদের চলে যেতে বাধ্য করা হয়, তাহলে আফগানিস্তানে পড়াশোনা করতে পারব না। আমার বাবা-মা আমার বোন এবং ভাইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীত।’ পাকিস্তান সীমান্তে সম্প্রতি হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধরনের হামলার জন্য ইসলামাবাদ আফগানিস্তানভিত্তিক জঙ্গিদের দায়ী করেছে। এরপর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি বুগতির আফগানদের পাকিস্তান ছাড়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেন। তিনি দাবি করেছেন, এই বছর পাকিস্তানে ২৪টির মধ্যে ১৪টি আত্মঘাতী বোমা হামলার সঙ্গে আফগান নাগরিক জড়িত।

বুগতির বরাত দিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ‘আফগানিস্তানের ভেতর থেকে আমাদের আক্রমণ করা হয়েছে এবং আফগান নাগরিকরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এতে কোনো দ্বিমত নেই. আমাদের কাছে প্রমাণ আছে।’ তবে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তালেবান অনথিভুক্ত আফগানদের নির্বাসনের পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছে। অননুমোদিত উদ্বাস্তুরা যদি না চলে যায়, তাহলে তাদের বিতাড়িত করা হবে বলে বুগতি গত সোমবার আবার সতর্ক করেছেন।

এর আগে সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানে দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৫৭ জন নিহত হয়েছিল। কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। যদিও বুগতি বলেছিলেন, আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের একজন আফগান নাগরিক ছিলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার অনেক শরণার্থী আফগানিস্তানের সীমান্তে জড়ো হয়েছে। কারণ গত মঙ্গলবার ছিল স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার বা নির্বাসনের শেষ দিন। গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ আফগান দেশে ফিরেছে বলে পাকিস্তান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার আরো ২০ হাজার জন সীমান্তের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। এই শরণার্থীদের মধ্যে অনেকেই তালেবান সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে এসেছিল। তারা তাদের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছে।

এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে মানবাধিকার বিপর্যয় এড়াতে নির্বাসন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যারা নির্বাসনের সম্মুখীন হচ্ছে, তাদের মধ্যে অনেকেই যদি আফগানিস্তানে ফিরে আসে তাহলে তারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর ঝুঁকিতে পড়বে। যার মধ্যে নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটক, নির্যাতন, নিষ্ঠুর এবং অন্যান্য অমানবিক আচরণ রয়েছে।’ তালেবানরা নারীদের কাজ এবং পড়াশোনার অধিকার দিচ্ছে না। তাদের জন্য স্কুল নিষিদ্ধ করা ছাড়াও পার্ক, জিম, পুল এবং অন্যান্য পাবলিক এলাকায় নারীদের যাওয়াও নিষিদ্ধ করেছে। পার্লার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং নারীদের পর্দা মেনে চলতে বলা হয়েছে। এই বছরের শুরুতে তালেবানরা বাদ্যযন্ত্র পুড়িয়ে দেয়। তারা দাবি করেছে, ‘সংগীত নৈতিক দুর্নীতির কারণ।’

এদিকে তালেবানরা বলেছে, তারা ফিরে আসা আফগানদের অস্থায়ী বাসস্থান এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাসহ মৌলিক পরিষেবা প্রদানের জন্য একটি কমিশন গঠন করেছে। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বলেছেন, ‘আমরা তাদের আশ্বাস দিচ্ছি তারা কোনো উদ্বেগ ছাড়াই তাদের দেশে ফিরতে পারে এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন পাবে।’ কয়েক দশকের যুদ্ধে পাকিস্তান লক্ষাধিক আফগান শরণার্থী গ্রহণ করেছে। জাতিসংঘের মতে, প্রায় ১৩ লাখ আফগান শরণার্থী হিসেবে নিবন্ধিত এবং আরো আট লাখ ৮০ হাজার থাকার জন্য অনুমোদন পেয়েছে। কিন্তু আরো ১৭ লাখ মানুষ অবৈধভাবে দেশে রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০২/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

অভিভাবকদের ‘অপপ্রচারে’ বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক নিয়ে মিথ্যাচার হচ্ছে। এরা চায় না শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে শিখতে, চিন্তা করতে শিখুক, অনুসন্ধিৎসু হোক, মুক্তবুদ্ধি ও মুক্তচিন্তার চর্চা করুক। এগিযৈ যাওয়ার জন্য রূপান্তর অবশ্যম্ভাবী উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যে কোনো পরিবর্তনই মেনে নিতে, খাপ খাইযৈ নিতে কষ্ট হয়।

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে কোচিং ও গাইড ব্যবসায়ীরা অপপ্রচারে নেমেছে বলে অভিযোগ আনলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি মনে করেন, এর পেছনে রাজনৈতিক একটি প্রতিপক্ষের ইন্ধনও আছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলন করে মন্ত্রী নতুন শিক্ষাক্রমের বিরুদ্ধে উঠা ‘সব সমালোচনার’ জবাবও দেন। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোলেমান খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহম্মাদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী, এনসিটিবির সদস্য (কারিকুলাম) অধ্যাপক মশিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন আইডি থেকে যারা অপপ্রচার চালিয়ে এটাকে একটি আন্দোলনে রূপ দেয়ার চেষ্টা করছেন, তারা মূলত কোচিং ব্যবসায়ী। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নোট–গাইড বইয়ের ব্যবসায়ীরা। কারণ, এরা মনে করছেন, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন হলে তারা ব্যবসায় মার খাবেন। খবর বিডিনিউজ ও বাংলানিউজের।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়গুলো আমাদের সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের কোনো অভিভাবক সেখানে ছিল না। একটি বিদ্যালয় জানিয়েছে, তাদের কয়েকজন অভিভাবককে ২ হাজার টাকা করে দিয়ে সেখানে আনা হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো ইস্যু না পেয়ে এটিকে ইস্যু বানানোর চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক একটি প্রতিপক্ষের এতে ইন্ধন আছে। আর মূল্যায়ন হবে প্রতিটি কাজের। আবার ষান্মাসিক মূল্যায়ন এবং বার্ষিক মূল্যায়নও হবে। কাজেই পরীক্ষা ঠিকই থাকছে, কিন্তু পরীক্ষার ভীতি থাকছে না। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং না হওয়া আছে শুধু তাই নয়, পারদর্শিতার ৭টি স্কেলে তাদের রিপোর্ট কার্ডও আছে। বাসায় গিয়ে দলগত কাজ করতে হয়, যা বাস্তবে সম্ভব না হওয়ায় ডিভাইস নির্ভরতা বাড়ছে –এমন ধারণার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সকল দলগত কাজ বিদ্যালয়ে করার নির্দেশনা দেওয়া আছে। বাড়িতে কোনো দলগত কাজ দেওয়া হয় না।

নতুন শিক্ষাক্রমের সঙ্গে মিল রেখে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। তারা মহাচিন্তায় পড়ে গেছেন যে, তাদের বাচ্চারা কীভাবে চাকরি পাবে। শিক্ষাজীবনের কোনো ফলাফল তাদের সন্তানদের চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কাজে আসবে না– এমনটাও অনেকে বলে বেড়াচ্ছেন। তদের বলতে চাই, চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে পারদর্শীতার মূল্যায়ন করা হবে। পারদর্শীতার মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা, চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামোয়ও পরিবর্তন আসবে। এই শিক্ষাক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। আর সরকারি নিয়োগের বাইরে বেসরকারি জগতে এখন সনদের চাইতে দক্ষতা বা যোগ্যতা বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০২/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্য দিয়ে অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও এখন থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়াসহ সার্বিক তথ্য জানতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বুধবার (১ নভেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে এ রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এ রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমে শিক্ষার্থী প্রতি ৫৮ টাকা ফি দিতে হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা সমন্বয়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার বলেন, প্রথম এবং অষ্টম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া থাকলেও ষষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের পদ্ধতি ছিল না। তাই এর মাঝে কত শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে তাও তথ্য জানা সম্ভব হয় না। এজন্য চলতি বছর থেকেই ষষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। শিক্ষার্থীর দেওয়া তথ্যগুলো বোর্ডগুলোতে সংরক্ষিত থাকবে। ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

জানা গেছে, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে মাধ্যমিকের এন্ট্রি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তথ্য শিক্ষা বোর্ডগুলোর কাছে থাকবে। অষ্টম ও নবমে রেজিস্ট্রেশনের সময় এ তথ্যও ব্যবহার করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বোর্ড কর্তারা।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০২/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

magnifiermenu linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram