বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়াঃ  শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী বছর থেকে একটি মাত্র পরীক্ষা নিয়ে জাতীয় মেধাক্রম তৈরির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি করা হবে।

এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে কিছু সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা ছিল স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামীতে এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠা হবে।  বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।   

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, র‍্যাগিং সামাজিক সমস্যা। সমন্বিত উদ্যোগের বিরুদ্ধে একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। এজন্য তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মশিউর রহমান বক্তব্য দেন। বিজ্ঞান মেলায় ১৮টি কলেজ অংশ নিচ্ছে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৫/০৩/২০২৩    

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মাসে একবার ১০ টাকায় বই বিক্রি করছে সংগঠনটি। বই বিক্রির এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনলাইন শিক্ষা সামাজিক মাধ্যম ক্যাম্পাস।

শিক্ষার্থীদের বই পড়ায় উদ্বুদ্ধ করতেই এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। রবীন্দ্র, নজরুল, শরৎসহ বিখ্যাত লেখকদের বই মাত্র ১০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা, বিসর্জন, চিত্রা, সোনার তরী, খেয়া, নৌকা ডুবি, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবদাস, বামুনের মেয়ে, দত্তা, বড় দিদি, বিন্দুর ছেলে ও রামের সুমতি; কাজী নজরুলের ছায়ানট, সিন্দু হিন্দোল; জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা, আল মাহমুদের প্রেমপত্র পল্লবসহ বিখ্যাত লেখকদের গল্প, উপন্যাস, কবিতার বই ছাড়াও বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বইও স্থান পেয়েছে এ আয়োজনে।

১০ টাকায় পছন্দের বই কিনতে পেরে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী সানজিদা সিলভী বলেন, ১০০ টাকার বই মাত্র ১০ টাকায় কিনতে পেরেছি। আমাদের জন্য এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।

শিক্ষার্থী মাহতাব হোসাইন মাশফি বলেন, বই কিনে খুব ভালো লাগছে। এত কম দামে ভালো বই পাব চিন্তাও করিনি।

বই বিক্রি আয়োজনের স্বেচ্ছাসেবী রিমা আক্তার রিমি জানান, শিক্ষার্থীদের এত আগ্রহ আমাদের মুগ্ধ করেছে। বইয়ের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় অনেকেই বই না পেয়ে ফিরে গেছেন।

বই বিক্রির সমন্বয়ক হিশাম খান বলেন, ১০ টাকায় বই বিক্রি গ্রামপর্যায়েও ছড়িয়ে দিতে চাই; যদিও এজন্য পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।

১০ টাকায় বই কর্মসূচির উদ্যোক্তা মুঈদ হাসান তড়িৎ জানান, শহরের পাঠাগারে শিক্ষার্থীদের পদচারণা কম। তারা এখন ইন্টারনেটে আসক্ত। শিক্ষার্থীদের মাঝে বই পড়ার অনুপ্রেরণা জোগাতে আমাদের এ উদ্যোগ। ১০০-১২০ টাকার বই আমরা নামমাত্র মূল্যে মাত্র ১০ টাকায় বিক্রি করছি। শিক্ষার্থীরা বই পড়ায় আগ্রহী হলেই আমাদের উদ্যোগ সার্থক।

তিনি আরও জানান, অন্তত মাসে একবার আমরা ১০ টাকায় বই বিক্রি করব। এবার শতাধিক বই থাকলেও আগামীতে বইয়ের সংখ্যা বাড়বে। বিত্তবানরা এগিয়ে এলে আরও বড় পরিসরে এ আয়োজন করতে চাই আমরা।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবসে (১৭ মার্চ) সরকারি-বেসরকারি অফিস ও ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নিউজ ডেস্ক।।

প্রতি বছর মার্চের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হচ্ছে।

এবার কিডনি দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘সবার জন্য সুস্থ কিডনি’।

বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন, পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালসহ (বিএসএমএমইউ) বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনি রোগ প্রায় উপসর্গ বিহীন।

কিডনির কার্যক্ষমতা প্রায় ৯০ শতাংশ কমলে উপসর্গ প্রকাশ পায়। কিডনি বিকল হওয়ার অন্যতম কারণ কিডনি প্রদাহ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক সেবনেও কিডনি বিকল হতে পারে।

বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ায় কিডনি রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ মানুষ দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ভুগছেন। ইউনাইটেড স্টেটস রেনাল ডাটা সিস্টেম’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০২০ সালের শেষ পর্যায়ে কিডনি বিকল রোগী ছিলেন প্রতি মিলিয়নে ১০৯ জন। ২০১০-২০২০ এই ১০ বছরে এ রোগী বেড়েছে প্রায় আড়াইগুণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশে ১০ হাজার ৮৪১ জন কিডনি রোগে মৃত্যুবরণ করেছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত নেফ্রোলজি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বইয়ে নেফ্রোলজি ইন বাংলাদেশ প্রবন্ধে বলা হয়েছে, কিডনি বিকল রোগীদের মাত্র ৫ শতাংশ প্রতিস্থাপনের সুযোগ পান। এর প্রধান কারণ গুলো হলো, কিডনি রোগের চিকিৎসার উচ্চ ব্যয়ভার, সারা দেশে কিডনি রোগের অপ্রতুল চিকিৎসা সুবিধা, প্রশিক্ষিত ডাক্তার-নার্স ও টেকনিশিয়ানের স্বল্পতা।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ইউরোলজি’র তথ্য মতে, দেশের ১২ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রতিদিনই এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে। প্রতি ঘণ্টায় পাঁচজন কিডনিজনিত জটিলতায় মৃত্যুবরণ করেন। দেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে ভুগছেন। প্রতিবছর নতুন করে ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কিডনি ডায়ালাইসিস প্রয়োজন। প্রতি বছর প্রাপ্তবয়স্ক ১০০ জনের মধ্যে ১০ থেকে ১৪ জন কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষজ্ঞরা ৮টি গোল্ডেন রুলের কথা বলছেন, এসব হচ্ছে নিয়মিত ব্যায়াম করা ও সক্রিয় থাকা, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা, পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা, ধূমপান পরিহার করা, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন না করা, স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত কিডনির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা।

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় কারো মৃত্যু হয়নি। এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৪৫ জনের। এদিন নতুন করে ছয়জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৮৯৩ জনে।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৮৪টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় এক হাজার ৪৮৫টি।
পরীক্ষা করা হয় এক হাজার ৪৯২টি। এ পর্যন্ত এক কোটি ৫৩ লাখ ২০ হাজার ৫৯৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪২৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ছয় হাজার ২৮৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

গত বছরের শেষ দিয়ে তালেবান প্রশাসনের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।কম্পিউটার সাইন্সে চতুর্থ বর্ষের এক নারী শিক্ষার্থী দুঃখ ও ক্ষোভ নিয়ে বিবিসিকে বলেন, ‘‘এখন আমি আর কেউ না।

‘‘আমার পরিকল্পনা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শেষ করে আমি আমার ‍মাস্টার্স করব, তারপর পিএইচডি। আমি আমার দেশ, জাতি ও মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলাম। আমি এখন আর সেটা করতে পারব না।”অথচ মাত্র কয়েক মাস আগে তিনি এবং তার বান্ধুরা মিলে কিভাবে গ্রাজুয়েশনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবেন তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

এমন বেশ কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী বিবিসি-কে বলেছেন, ফেলে আসা খুশি ও আশায় পূর্ণ সময়ের কথা মনে করে এখন তারা শুধু কাঁদেন আর তাদের ভাই ও কাজিনদের পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া চেয়ে চেয়ে দেখেন।তাদের মধ্যে মাত্র একজন তার নিজের নামের প্রথম অংশ প্রকাশ করতে রাজি হয়েছেন। তার নাম আতেফা, বয়স ১৯ বছর। হেরাতের বাসিন্দা কম্পিউটার সাইন্সের এই শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কোনো স্মৃতিও নেই, যেটা তিনি এখন মনে করবেন।

কারণ, তিনি মাত্রই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একজন ‘ওয়েবসাইট ডেভেলপার’ হওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তার ওই সব ‘স্বপ্ন নষ্ট হয়ে গেছে’, বলেন তিনি।

‘‘আমি এবং আমার বন্ধুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিন্তু আমার স্বপ্ন সত্যি করা গেলো না...এটা তার আগেই শেষ হয়ে গেলো।”

শুধু উচ্চ শিক্ষার অধিকারই নয় বরং তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় এসে সে দেশের নারীদের কাজ করার অধিকারসহ আরো অনেক অধিকার কেড়ে নিয়েছে।আফগানিস্তানে মেয়েদের মাধ্যমিক স্কুলগুলো আরো আগেই বন্ধ করে দেয় তালেবান।

তালেবান প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা অবশ্য দাবি করেছেন, এ ব্যবস্থা অস্থায়ী। তাদের কেউ কেউ কারণ ব্যাখ্যায় কঠোর পোশাক বিধি, তহবিলের অভাব বা ইসলামিক ধারায় পাঠ্যক্রম ঠিক করাসহ অনেক রকম কথাই বলছেন।

২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সরকারকে উৎখাত করে পুনরায় আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান। তখন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের ক্লাসে আলাদা বসার নিয়ম জারি হয়।

কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের একজন নারী শিক্ষার্থী বিবিসিকে বলেন, ‘‘যদি তারা আমাদের হিজাব পরতে বলে তবে আমরা খুশি মনেই তা মেনে নেব।‘‘যদি আমাদের আলাদা ক্লাস করতে বলা হয়, আমরা খুশি মনে সেটাও মেনে নেব। শুধু আমাদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিন।”নারী শিক্ষার্থীদের এভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ করা পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্যও ভয়ঙ্কর কষ্ট বয়ে নিয়ে এসেছে।

তাদের একজন বিবিসি-কে বলেন, ‘‘ক্লাসে ফিরে মনে হচ্ছে যেন জানাযায় এসেছি।‘‘মনে হচ্ছে, আমাদের বিশ্বাবিদ্যালয়ের কেউ মারা গেছেন। সবাই খুবই হতাশ। আমি কারণ জানি....কিন্তু সেটা নিয়ে কথা বলতে ভয় পাই। আমার মনে হয়, যদি কথা বলি তবে তালেবান সরকার আমাকে গ্রেপ্তার করবে।”

আফগানিস্তানে এখন মেয়েরা শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। পারওয়ান প্রদেশের এক তরুণ বলেন, ‘‘শুধু পুরুষদের নিয়ে আপনি আমাদের দেশ গড়তে পারবেন না। নারীদেরও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা প্রয়োজন।”

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালে ‘প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার সদর উপজেলার এডামস্ পার্কে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিস যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল সদর আসনের এমপি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রাথমিক শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যত।

এই শিশুদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রধান ভূমিকা নিতে হবে।  তিনি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা সহ দেশাত্মবোধের সাথে প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষাদানের জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন এবং দি বরিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আসম রাফি জুয়েল।সভায় বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৫/০৩/২০২৩  

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক।।

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় পৌনে চারশো মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় এক লাখে।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৭২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৬৬ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৭ লাখ ৯২ হাজার ৫৪৮ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ হাজার ৩৯২ জন।

অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৪০ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ কোটি ৮৯ লাখ ১২ হাজার ৪২৯ জনে।

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক।।

ভাষা আন্দোলন আমাদের গৌরবের ইতিহাস। অন্যদিকে শোকেরও।এ আন্দোলন নানা দিক থেকে দেখার ও তুলে ধরার দাবি রাখে। কিন্তু কাজটি খুব সহজ নয় বলে ভাষা আন্দোলনবিষয়ক বই প্রকাশ হয় খুব কম। তবে আশার কথা, প্রতি বছরই বইমেলায় ভাষা আন্দোলন ও এ-বিষয়ক কিছু বই প্রকাশ হচ্ছে। অনেকেই ভাষা আন্দোলনের নানা শাখা-প্রশাখা ধরে নতুন কিছু প্রকাশের চেষ্টা করছেন।

ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে প্রতিবছর আয়োজন হয় অমর একুশে বইমেলা। প্রতিবছরই নতুন, পুরোনো মিলিয়ে অনেক লেখকের কয়েক হাজার বই প্রকাশিত হয়। তবে এসব গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও গবেষণামূলক বইয়ে ভাষা আন্দোলন বা তার চেতনা কতটুকু স্থান পাচ্ছে, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। বাস্তবতা হলো, মেলা চষে বেড়িয়ে ভাষা আন্দোলন নিয়ে ২০টি বইয়েরও খোঁজ মেলেনি। যে কয়েকটি বই চোখে পড়ে, তার বেশিরভাগ পুরোনো লেখকদের। অর্থাৎ ভাষা আন্দোলন নিয়ে নতুন লেখকদের আগ্রহ কম। প্রকাশকরা বলছেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও পূর্বাপর নিয়ে যথাযথ পাণ্ডুলিপি ও গবেষণার অভাবে তারা বই প্রকাশ করতে পারছেন না। আবার ভাষা আন্দোলন নিয়ে বইয়ের কাটতিও কম। তাই অনেক প্রকাশক এ বিষয়ে বই প্রকাশে আগ্রহ দেখান না।

মেলার প্রথম ২০ দিনে ২ হাজার ২৮১টি নতুন বইয়ের নাম গেছে বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রে, যার অধিকাংশই কবিতা, গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ, অনুবাদ, প্রবন্ধগ্রন্থের পাশাপাশি রয়েছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা নানা গ্রন্থও। তবে ভাষা আন্দোলন নিয়ে খুব সামান্যসংখ্যক গ্রন্থই চোখে পড়ে।

বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রের তালিকা এবং বিভিন্ন প্রকাশনীর তথ্য অনুযায়ী, এবার মেলায় আসা ভাষা আন্দোলন নিয়ে বইয়ের সংখ্যা নেহায়েত কম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আহমদ রফিকের 'একুশ থেকে একাত্তর' (অনিন্দ্য) ও 'ফিরে দেখা অমর একুশ ও অন্যান্য ভাবনা' (সময়), গোলাম কুদ্দুছের 'ভাষার লড়াই ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন' (নালন্দা) ও 'বরাক উপত্যকার ভাষা আন্দোলন' (অন্যপ্রকাশ), রফিকুর রশীদের 'ছড়িয়ে গেলো ভাষার লড়াই' (আগামী), 'ভাষার লড়াই ছড়ায় ছড়ায়' (য়ারোরা বুক কর্নার), এম আবদুল আলীমের 'রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে রফিকুল ইসলাম' (আগামী প্রকাশনী), 'ভাষা-আন্দোলনে তাজউদ্দীন আহমদ' (ঝুমঝুমি প্রকাশনী), 'ভাষা আন্দোলনের জানা-অজানা ইতিহাস' (ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ), 'রাষ্ট্রভাষা-আন্দোলন জেলাভিত্তিক ইতিহাস' (আগামী), আহমেদ রশিদের 'ভাষাশহিদদের কথা' (ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ), শাহনেওয়াজ চৌধুরীর 'বঙ্গবন্ধু, একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের গল্প' (শোভা প্রকাশ), আখতার হোসেন মল্লিকের 'ভাষা সংগ্রাম ও বইমেলা' (জলছবি), শেলী সেনগুপ্তার 'নারীর ভাষা আন্দোলন' (গ্রন্থ কুটির), মোস্তফা দুলালের 'জ্যোতির্ময় একুশ' (প্রিয় বাংলা)।

ইতিহাসের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বলেন, প্রতিবছর নিয়ম করে কিছু বই হয়তো ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রকাশিত হয়। সেসব বইয়ে আগ্রহ থাকে ইতিহাস পাঠে উন্মুখ তরুণদের। কিন্তু গবেষণার মান নিয়ে বলতে ইচ্ছা করে না।

বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বলেন, বইমেলায় ভাষা আন্দোলন বা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে বইগুলো প্রকাশিত হয়, তাতে এক দল পাঠকের আগ্রহ থাকে ঠিক। কিন্তু এসব বইয়ের গবেষণার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যে বইগুলো এর আগে আমি দেখেছি, মনে হলো বই বের করার জন্যই মেলা উপলক্ষে বই প্রকাশ করা। হাতেগোনা কয়েকজন গবেষক ছাড়া বাকিরা ক'জন ভাষাসংগ্রামীর সাক্ষাৎকার, ওই সময়ের পত্রপত্রিকার সংকলন বা আগে প্রকাশিত বই থেকে তথ্য নিয়ে নতুন করে বই প্রকাশ করছে। গবেষণাধর্মী তো বই এমন করে হয় না। লেখককে গবেষণায় আরও সময় দিতে হবে।

কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশিদ বলেন, এ বিষয়ে আমরা বড্ড অবহেলা করছি। ভাষা আন্দোলন যেন পুরোনো হয়ে গেছে আমাদের কাছে। এ প্রসঙ্গে প্রবীণদের দায়িত্ব পালন করতে হবে নবীনদের ইতিহাস জানাতে। কিন্তু আমাদের গল্প, কবিতা, উপন্যাসে ভাষা আন্দোলন হারিয়ে যাচ্ছে। ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি, যুদ্ধে জয় লাভ করেছি। কিন্তু কেন জানি আমরা এ ইতিহাসকে স্মরণ করছি না। ২১ ফেব্রুয়ারি এলে একটি দিনের জন্য আমরা ভাষা আন্দোলনকে দিবস আকারে পালন করি। ভাষা আন্দোলনের যে লক্ষ্য ছিল, তা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের রাজনীতিকদের রাজনীতির মাধ্যমে, সাহিত্যিকদের সাহিত্যের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনকে খুঁজে ফিরতে হবে। পূর্বপুরুষরা যে স্বাক্ষর রেখেছেন উত্তরপুরুষদের জন্য, আমাদেরও তা পালন করতে হবে।

অনন্যা প্রকাশনীর প্রকাশক মনিরুল হক বলেন, ভাষা আন্দোলন নিয়ে বই প্রকাশ করতে পাণ্ডুলিপির সবচেয়ে বড় অভাব। এর জন্য প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে, জানতে হবে। আমাদের তরুণরা সাহিত্যের অন্য শাখা নিয়ে কাজ করলেও ভাষা আন্দোলন নিয়ে গবেষণা করে না। তারা এ বিষয়ে সময় নিয়ে লিখতেও চায় না। যে কয়টি বই আসে, তার মধ্যে ভাষাসংগ্রামী বা জ্যেষ্ঠ গবেষক লেখকরা দু-একটি লেখেন।

আগামী প্রকাশনীর প্রকাশক ওসমান গণি বলেন, পরিতাপের বিষয় ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের কাছ থেকে আমরা খুব বেশি লেখা পাইনি। ভাষা আন্দোলন নিয়ে গবেষক, লেখকের অভাব আমরাও অনুভব করি। রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাষা আন্দোলন বিষয়ে গবেষণা করে বই প্রকাশ করা উচিত। মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এ ক্ষেত্রে কাজ করতে পারত। কিন্তু আমরা তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে কিছুই পাইনি।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২১/০২/২৩   

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজের আগামী শিক্ষাবর্ষ (২০২২-২০২৩) থেকে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি ফি বাড়িয়েছে সরকার। তিন লাখ ২৪ হাজার টাকা বেড়ে নতুন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ লাখ ৪৪ হাজার টাকা, যা এর আগে ছিল ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।

সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-২ শাখার উপসচিব মাহবুবা বিলকিস সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে গত ৯ই ফেব্রুয়ারি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি ফি বাড়ানোর বিষয়ে বৈঠক হয়। এতে ভর্তি ফি ১৯ লাখ ৪৪ হাজার টাকা করা হয়েছে। যা ২০১৮ সালের ১৫ই মার্চ জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা ছিল।

এদিকে মেডিকেলের ভর্তি ফি বাড়লেও ইন্টার্নশিপ ফি এক লাখ ৮০ হাজার টাকাই (অপরিবর্তিত) রয়ে গেছে। মাসিক টিউশন ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সের এবং ডেন্টাল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিটের বিডিএস কোর্সের বিভিন্ন প্রকার ফি নিম্নরূপ পুনর্নিধারন করা হলো। ‘ বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন-২০২২’ এর ২২ ধারা অনুসারে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ প্রাপ্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক টিউশন ফি অনুমোদিত হবে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২১/০২/২৩   

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক।।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে নিজের স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রতারণা করে বদলির অভিযোগ উঠেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা উপজেলার এলাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে চলতি দায়িত্বে রয়েছেন।

জানা গেছে, কোটচাঁদপুরের এলাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহানা আফরোজ ডলি গত ১৫ সেপ্টেম্বর বদলির জন্য অনলাইনে আবেদন করেন। বদলিজনিত নীতিমালায় আছে তালাকপ্রাপ্তদের জন্য ১৫ নম্বর যুক্ত হবে।

তিনি অতিরিক্ত ১৫ নম্বর পাওয়ার জন্য গত ২৫ আগস্ট কোটচাঁদপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজীর মাধ্যমে কৌশলে তার স্বামী মমিনুল ইসলাম তোতাকে তালাক দেন। এরই মধ্যে বদলি প্রক্রিয়ার কার্যক্রম শেষ করে আবারও তার স্বামীর সাথে সংসার শুরু করেন শাহানা আফরোজ ডলি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোটচাঁদপুর উপজেলার এক সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষিকা শাহানা আফরোজ ডলি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অসিত বরণ পালকে ম্যানেজ করে প্রতারণার মাধ্যমে কোটচাঁদপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হয়েছেন।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষিকা শাহানা আফরোজ ডলি জানান, আমি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বদলি হয়েছি। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অসিত বরণ পাল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ওই সময়ে আমি বুঝতে পারিনি।এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান মাসুম বিল্লাহ জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২১/০২/২৩   

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়

magnifiermenu linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram