website page counter স্কুলের বেতন প্লাস্টিক বর্জ্য – শিক্ষাবার্তা

বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬

স্কুলের বেতন প্লাস্টিক বর্জ্য

স্কুলটিতে বেতন দিয়েই পড়তে হয় শিশুদের। কিন্তু টাকা-পয়সা নয়, বেতন পরিশোধ করতে হয় পুরনো প্লাস্টিক বর্জ্য।ে অর্থের বিনিময়ে পুরনো প্লাস্টিক বর্জ্য দিলেই মিটে যায় স্কুলের ফি। আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার একটি স্কুল এই অভিনব বেতন পদ্ধতি চালু করেছে।

প্রতিষ্ঠানটি অভিভাবকদের কাছ থেকে বেতন হিসেবে অর্থের পরিবর্তে প্লাস্টিক নিচ্ছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজেরিয়ার লাগোসে মরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এই অভিনব পদ্ধতিতে বেতন নিচ্ছে।

‘আফ্রিকান ক্লিন আপ ইনিশিয়েটিভ’ ও ‘উইসাইকলারস’ নামের দুটি সংগঠনের সহায়তায় এ পদ্ধতি চালু করেছে স্কুলটি। বেতন হিসেবে অর্থের পরিবর্তে প্লাস্টিক নেওয়ার কারণ হিসেবে দুটি সুবিধার কথা বলছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পরিবারগুলো প্লাস্টিক পরিশোধের মাধ্যমে ব্যয় কমাতে পারবে এবং স্কুলের আশপাশও প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা পাবে। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা প্রথমে ব্যাগভর্তি প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ে স্কুলের নির্ধারিত জায়গায় যান। সেখানে তাদের প্লাস্টিক বর্জ্যরে ওজন মাপা হয়।

এর পর আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়। মরিট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এক শিক্ষার্থীর বাবা বিবিসিকে বলেন, সন্তানের বেতন পরিশোধে আগে তার আর্থিক টানাটানি হতো। অধিকাংশ সময় যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ থাকত না।

তাই মাঝে মাঝে বেতনের অর্ধেক দিয়ে, বাকিটা অন্য সময়ে পরিশোধ করতেন। তবে প্লাস্টিক বর্জ্য নেওয়ার এ প্রকল্পের কারণে এখন স্কুলের বেতন দেওয়াটা তার জন্য সহজ হয়ে গেছে। স্কুলটির প্রধান শিক্ষক বলেন, এর মধ্য দিয়ে সব অভিভাবক চাপমুক্ত হয়েছেন।

তারা এখন স্কুলের বেতন দ্রুত দিতে পারছেন। এ প্রকল্পে সবাই লাভবান হয়েছেন। স্কুলের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও তাদের মা-বাবারও সুবিধা হয়েছে। অন্যদিকে লাগোসের ‘মাই মডার্ন মেট’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান বলছে, প্লাস্টিক বর্জ্য নেওয়ার এ প্রকল্প শুধু ওই এলাকার পরিবেশ দূষণই রোধ করছে না, সবার জন্য শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশের সুযোগও নিশ্চিত করছে।

এই বিভাগের আরও খবর