website page counter আমরা কবে মানুষ হবো? – শিক্ষাবার্তা

বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

আমরা কবে মানুষ হবো?

এ এইচ এম সায়েদুজ্জামান।।

বুধবার বিএসটিআইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত ২৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এর মধ্যে ৭টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে ১৮টি প্রতিষ্ঠানের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খোলাবাজার থেকে সংগ্রহ করা ৪০৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৫২টি নমুনার নিম্নমান পাওয়া যায়। নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশের সময়সীমা শেষ হওয়ায় ৭টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

লাইসেন্স বাতিল করা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে আল সাফি ড্রিংকিং ওয়াটার, শাহারী অ্যান্ড ব্রাদার্স (পণ্য-নারজান ড্রিংকিং ওয়াটার), মর্ণ ডিউ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, আর আর ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার, শান্ত ফুড প্রডাক্টস (পণ্য-টেস্টি, তানি ও তাসকিয়া), জাহাঙ্গীর ফুড প্রডাক্টস (প্রিয়া ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংক পাউডার) ও বনলতা সুইটস অ্যান্ড বেকারী (বনলতা ব্র্যান্ডের ঘি)।

বিএসটিআই বলেছে, ২৭টি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া সময় এখনো শেষ হয়নি। তাই তাদের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। লাইসেন্স স্থগিত হওয়া পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে সরিষার তেলে সিটি ওয়েল মিল-গাজীপুর (তীর), গ্রিন ব্লিসিং ভেজিটেবল ওয়েল-নারায়ণগঞ্জ (জিবি), শবনম ভেজিটেবল ওয়েল-নারায়ণগঞ্জ (পুষ্টি), বাংলাদেশ এডিবল ওয়েল-নারায়ণগঞ্জ (রূপচাঁদা); সুপেয় পানির মধ্যে আররা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ (আররা), ডানকান প্রোডাক্ট (ডানকান), দিঘী ড্রিংকিং ওয়াটার (দিঘী); প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের প্রাণ ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই; হলুদের গুঁড়ার মধ্যে ড্যানিশ, প্রাণ ও ফ্রেশ।

এর আগে ১২ মে বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় ৫২টি খাদ্যপণ্য অবিলম্বে বাজার থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এসব খাদ্যপণ্য বিক্রি ও সরবরাহে জড়িত লোকজনের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতি এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন। যতক্ষণ পর্যন্ত ওই ৫২ পণ্য বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় পুনরায় উত্তীর্ণ না হচ্ছে, ততক্ষণ এসব পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। মাদকবিরোধী অভিযানের মতো খাদ্যে ভেজাল মেশানোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

৫২টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার বা জব্দ চেয়ে কনসাস কনজ্যুমার সোসাইটির (সিসিএস) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিহাব উদ্দিন খান জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও বিএসটিআইয়ের দুই কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে আদালতে হাজির হতে বলেন। সেই অনুযায়ী তাঁরা আদালতে হাজির হন। আদালত সব পক্ষের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

৩ ও ৪ মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএসটিআই সম্প্রতি ২৭ ধরনের ৪০৬টি খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে ৩১৩টি পণ্যের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি নিম্নমানের ও ভেজাল পণ্য রয়েছে। এর আগে ২ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিএসটিআই।

বিএসটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে খোলাবাজার থেকে ৪০৬টি পণ্যের নমুনা ক্রয় করে বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩১৩টি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৫২টি পণ্য পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। বাসসের প্রতিবেদন অনুসারে ভেজাল পণ্যগুলো হলো সিটি অয়েলের সরিষার তেল, গ্রিন বি চিংয়ের সরিষার তেল, শবনমের সরিষার তেল, বাংলাদেশ এডিবল অয়েলের সরিষার তেল, মিষ্টিমেলা লাচ্ছা সেমাই, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, মিঠাইর লাচ্ছা সেমাই, ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই, এসিআইর আয়োডিনযুক্ত লবণ, মোল্লা সল্টের আয়োডিনযুক্ত লবণ, কিংয়ের ময়দা, রূপসার দই, মক্কার চানাচুর, মেহেদীর বিস্কুট, বাঘাবাড়ীর স্পেশাল ঘি, নিশিতা ফুডসের সুজি, মঞ্জিলের হলুদগুঁড়া, মধুমতির আয়োডিনযুক্ত লবণ, সান ফুডের হলুদগুঁড়া, গ্রীন লেনের মধু, কিরণের লাচ্ছা সেমাই, ডলফিনের মরিচগুঁড়া, ডলফিনের হলুদগুঁড়া, সূর্যের মরিচগুঁড়া, জেদ্দার লাচ্ছা সেমাই, অমৃতের লাচ্ছা সেমাই, দাদা সুপারের আয়োডিনযুক্ত লবণ, মদীনার আয়োডিনযুক্ত লবণ, নুরের আয়োডিনযুক্ত লবণ। কাশেম ফুডের চিপস, আরা ফুডের ড্রিংকিং ওয়াটার, আল সাফির ড্রিংকিং ওয়াটার, মিজান ড্রিংকিং ওয়াটার, মর্ণ ডিউয়ের ড্রিংকিং ওয়াটার, ডানকান ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার, আরার ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার, দীঘি ড্রিংকিং ওয়াটার, প্রাণের লাচ্ছা সেমাই, ডুডলি নুডলস, শান্ত ফুডের সফট ড্রিংক পাউডার, জাহাঙ্গীর ফুড সফট ড্রিংক পাউডার, ড্যানিশের হলুদগুঁড়া, প্রাণের হলুদগুঁড়া, ফ্রেশের হলুদগুঁড়া, এসিআইর ধনিয়াগুঁড়া, প্রাণের কারি পাউডার, ড্যানিশের কারি পাউডার, বনলতার ঘি, পিওর হাটহাজারী মরিচগুঁড়া্।

দেশে আজ অসৎকর্ম বেগবান; অপরদিকে সৎকর্ম শ্লথ। এ মুহূর্তে একটি বৃহৎ প্লাটফর্মের মাধ্যমে সুন্দর একটি পরিবেশ তৈরিতে সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। সেই প্লাটফর্মের কাজ হবে জাতিকে নৈতিক মোটিভেশন দেওয়া। নারী ও শিশুর ওপর বলাৎকার শ্লীলতাহানি— অবশেষে আগুনে পুড়িয়ে না ফেরার দেশে পাঠিয়ে দেওয়া। সাগর-রুনি, তনু, মিতু এবং হালের রাফিকে পৈশাচিক পদ্ধতিতে পুড়িয়ে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। যারা এসব খুনে জড়িত, তারা মানুষ নয়— পশুর চেয়েও অধম। প্রথম তিনটির বিচার হয়নি, রাফি খুনের বিচার আলোর মুখ দেখবে কি-না সেটাও বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে জাতির কাছে। গোল্ডেন বা ডিজিটাল বাংলাদেশের এমন কুৎসিত চেহারা দেশের ভাবমূর্তিকে তলানিতে নিয়ে গেছে। নারী ও শিশুদের দেহ নিয়ে এখন শুধু ছাত্রসমাজ ও যুবসমাজ জড়িত নয়।

যৌন হয়রানি বাংলাদেশে এখন নিত্যদিনের চলমান ঘটনা। আমরা কেন বুঝতে পারছি না যে, আমাদের অপকর্মই আমাদের অবক্ষয়। নৈতিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করার জন্য ১০ মিনিট সময় ব্যয় করার মতো কি সচেতন মানুষের অভাব পড়েছে দেশে! নিজ নিজ ধর্মের আদর্শের নীতি-মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম সম্পর্কে জাতিকে অনুপ্রাণিত করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় বাংলাদেশ হেরে যাবে। ১৭ এপ্রিল ২০১৯ এ ধরনের একটি খবরে দৃষ্টি নিবদ্ধ হলো। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে সাত দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তার চুল কেটে গালে জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া হয়। মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের এ ঘটনা রেকর্ড করা হয় মোবাইলে। এ কাহিনী প্রকাশ না করতে দেওয়া হয় হুমকি। ঘটনাটি ঘটে চট্টগ্রামের সদরঘাটে।

বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ক শিক্ষকের বিচার দাবিতে আন্দোলন চলছেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে পঞ্চম দিনেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। দুই শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় গত ৮ এপ্রিল থেকে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আক্কাস আলীকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নামে। গাজীপুরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ছুরিকাঘাতে এক কলেজ ছাত্রীকে হত্যা করেছে এক বখাটে। এ ছিল আরেক বর্বরতা। গত ১৭ এপ্রিল বুধবার ওই ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে কলেজ থেকে বাসায় ফিরছিল। সে সময় প্রকাশ্য দুপুরে কোনাবাড়ী কাঁচাবাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুতে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ১৯ এপ্রিল ২০১৯ প্রায় প্রতিটি দৈনিকে খবর হয়েছে সামাজিক অপরাধের প্রবণতা নিয়ে। তিন শিশু ধর্ষিত, শিক্ষক বরখাস্ত, থানা ঘেরাও। নোয়াখালীর সেনবাগে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি। এ ছাড়া নরসিংদীর বেলাবোতে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি। রংপুরেও এক শিশু ধর্ষিত হয়েছে। ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে লালমনিরহাটের আদিতমারী বড়বাড়ী এমএইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান বরখাস্ত হয়েছেন। গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে কলেজছাত্রী হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে।

দেশে এখন ধর্ষণ মহামারী আকার ধারণ করেছে। নাটোরের সিংড়ার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলে গণিত শিক্ষক ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তে সত্যতা মিলেছে। সিরাজগঞ্জে নিজ ঘরে মা-মেয়ের লাশ পাওয়া গেছে। হরেক অপরাধের ভয়ঙ্কর চক্র যা ফেসবুক পরিচয় থেকে ঘটছে। মহিলারাও পুরুষকে জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ভয়ঙ্কর চক্রের সন্ধান পেয়েছে র্যাব। স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে কমল হোসেন। স্ত্রী হাসি বেগমের সঙ্গে প্রথম স্বামীর যোগাযোগ এবং দুবাই যাওয়ার চেষ্টা— সেই ক্ষোভ থেকেই স্বামী কমল তার স্ত্রী হাসিকে হত্যার পরিকল্পনা করে। উল্লেখ্য, হাসি ও কমলের উভয়েরই এটা দ্বিতীয় বিয়ে। ধর্ষণ ও খুন নিয়ে একদিনের ঘটনার বৃত্তান্ত ছাপিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন ১৯ এপ্রিল ২০১৯। এরকম ভয়াবহ সংবাদ অন্যান্য পত্রিকায়ও প্রতিদিনই আসছে। কিন্তু বিচারহীনতার কারণে সামাজিক অপরাধ কমছে না বলে অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন।

২০১৮ সালে সারা দেশে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, হত্যা ও শারীরিক নির্যাতনের কারণে মারা গেছে ২৭১টি শিশু। ২০১৮ সালে কেবল ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪৩৩টি শিশু। ২৮ এপ্রিল ২০১৯ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বেসরকারি সংস্থা ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। ২০১৮ সালে পুরুষ শিক্ষকের হাতে ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী মেয়েরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয় ১২৯ জন। এদের মধ্যে ১৭ জন ধর্ষণের শিকার হয়। বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৬টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ধর্ষণের শিকার ৪৭ জনের মধ্যে ৩৯টি মেয়েশিশু রয়েছে। বিভিন্ন কারণে খুন করা হয়েছে ৫ শিশুকে। সংস্থাটি বলছে, বিচারহীনতার কারণে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে।

  সুতরাং জাতিকে সুষ্ঠু পথে পরিচালিত করা সরকারসহ প্রতিটি বিবেকবান মানুষেরই উচিত। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে এখন নৈতিক শিক্ষার বড় প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সরকারসহ সমাজের বিবেকবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। সবকিছু শেষ হওয়ার আগে আপনাদের বিবেককে জাগ্রত করুন। আমরা আশরাফুল মাকলুকাত সৃষ্টির সেরা জীব। আমরা মানুষ । যেআচরন কোন জীবজানোয়ার করতে পারে না আমরা সেই কাজটা করছি তাই বলতেই হয় আমরা কখন মানুষ হবো?

লেখক-শিক্ষক ও সাংবাদিক।

এই বিভাগের আরও খবর