website page counter কারিগরি শিক্ষকদের কর্মবিরতি - শিক্ষাবার্তা ডট কম

মঙ্গলবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কারিগরি শিক্ষকদের কর্মবিরতি

ন্যায্য পাওনা আদায়ে সরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলনে নেমেছেন। এ দাবিতে টানা ১৪ দিন ধরে ২য় শিফটের ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বুধবার তারা ঢাকা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে অডিটরিয়ামে কর্মবিরতি পালন করেন।

বাংলাদেশ পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. ফেরদৌস বলেন, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান দ্বিতীয় শিফটের জন্য মূল বেতনের ৫০ শতাংশ দেয়া হলেও বর্তমানে তা কমিয়ে ২০০৯ সালের বেতন স্কেলের ৫০ শতাংশ দেয়া হচ্ছে। ২০১৮ সালে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে একটি নির্দেশনা জারি করে অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য সম্মানি কমানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১২ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য সম্মানি বৃদ্ধি করে ৭০ শতাংশ করার প্রস্তাব করলেও বাস্তবে তা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। ন্যায্য সম্মানি আদায়ে পূর্ণ ঘোষণা অনূযায়ী তারা ২য় শিফটের ক্লাস করান বলে জানান।

বাংলাদেশ পলিটেক্যাল শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন ফরাসী বলেন, আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে গত ১৯ মাসে ৫ দফায় আন্দোলনে নামলেও শিক্ষামন্ত্রী, সচিব ও কারিগরি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দাবি আদায়ে আমাদের শুধু আশ্বাস দিয়েছে। তাদের প্রতি সম্মান রেখে আমরা আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসে ফিরেছি। প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও সে আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় আমরা আবারো আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি।

গত ১৯ মাস ধরে ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন না হওয়ায় তারা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের মুল বেতনের ৫০ শতাংশ সম্মানি দিতে হবে। এছাড়া নিয়োগবিধি মোতাবেক কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর ও শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন পদগুলো কারিগরি কর্মকর্তা দ্বারা পূরণ করতে হবে। দাবি আদায়ে তাদের ক্লাস বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এ দাবিতে ১২ ফেব্রুয়ারি কর্মবিরতি পালন ও আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সামনে সকল শিক্ষক-কর্মচারীরা সমাবেত হয়ে মানববন্ধন পালন করবেন বলেও জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে বুধবার বিকেলে আন্দোলনকারী শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে বৈঠক হলেও সেখানে কোনো সুরাহা হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। তবে আগামী রোববার কেন্দ্রীয় কমিটি সভা করে পরবর্তী কর্মসূচী জানানো হবে বলেও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবরঃ