website page counter শিক্ষা কর্মকর্তার করা মামলায় স্কুল শিক্ষকসহ ২ সহযোগী গ্রেফতার - শিক্ষাবার্তা ডট কম

মঙ্গলবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা কর্মকর্তার করা মামলায় স্কুল শিক্ষকসহ ২ সহযোগী গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক :

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কয়েস আল কায়কোবাদ লাজুকসহ (৪০) দুই সহযোগীকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার অন্য দুই জন হলো-শামছুজ্জামান বাপ্পি (২৫), তৌহিদা আক্তার রুমা (৩২)।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ২ টার দিকে পৌর শহরের বালুয়াপাড়া মোড় এলাকা থেকে মাদকসেবন অবস্থায় তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত লাজুক উপজেলার ধূরুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে, তৌহিদা আক্তার (রুমা) পৌর শহরের সতিষা গ্রামের আব্দুল হাইয়ের মেয়ে, শামছুজ্জামান বাপ্পি বোকাইনগর অষ্টগড় গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে।

গৌরীপুর থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সহকারী শিক্ষক মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী কয়েস আল কায়কোবাদ লাজুক ও তার সহযোগীরা তাদের নিজস্ব ফেসবুক আইডিসহ বিভিন্ন ফেইক আইডি দিয়ে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তাসহ সুশীল সমাজের লোকজনের বিরুদ্ধে নানা অশ্লীল আপত্তিকর মন্তব্য এবং এডিট করা অশ্লীল ছবি পোস্ট করে সম্মান ক্ষুন্নসহ তাদেরকে ব্লাকমেইল করে আসছিল।

এ চক্রের কু-কর্মের কাছে সবাই ছিল অসহায়। কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পেতনা। অবশেষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীনকে নিয়ে ফেসবুকে অশ্লীল ভাষায় বিভিন্ন মন্তব্য ও ফটোশপে এডিট করা আপত্তিকর ছবি পোস্ট করেন তারা। এ ঘটনায় সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলায় এ ৩ জনকে মাদকসেবন অবস্থায় ২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও মাদক আইনে দুটি মামলায় তাদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে এ চক্রের সকল সদস্যকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীন জানান, শিক্ষক লাজুক কিছুদিন আগে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষক বদলি করার জন্য সুপারিশ করেছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় ১৯ ও ২০ জানুয়ারি লাজুক তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি ও অন্যান্য আইডির মাধ্যমে অশ্লীল মন্তব্য এবং এডিটিং করা আপত্তিকর ছবি আপলোড দেন। তারা এ শিক্ষা কর্মকর্তার ফেসবুক মেসেঞ্জারে বিভিন্ন অশ্লীল মন্তব্য করে বলে জানান তিনি।

এই বিভাগের আরও খবরঃ