website page counter ‘চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে’ (ভিডিও) - শিক্ষাবার্তা ডট কম

সোমবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, ১৪ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে’ (ভিডিও)

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবিতে আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন চাকরি প্রার্থীরা । অবস্থান কর্মসূচি থেকে দাবি আদায় না হলে সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়া হবে।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে কর্মসূচি কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের সমন্বয়ক বিজিত সিকদার।

আগামী ১৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, ১৯ ডিসেম্বর থেকে আমাদের দাবি না মানা হলে সারাদেশে আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।

সারা দেশে আন্দোলন কীভাবে সমন্বয় করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রত্যেক বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে আমাদের কমিটি রয়েছে। ওই কমিটির মাধ্যমে সবাইকে সংগঠিত করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।
কি কারণে এমন আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের সমন্বয়ক বিজিত সিকদার বলেন, চাকরিতে ৩৫ বছর চাওয়ার পিছনে প্রথম যুক্তি হচ্ছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েরা ৫ থেকে ৭ বার বিসিএসএর আবেদন করতে পারছে। কিন্তু আমরা সেশনজটের কারণে আমরা দুই থেকে তিনবার আবেদন করতে পারছি।

উদাহরণস্বরূপ তিনি বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের প্রথম ব্যাচের একজন ছাত্র। আমি ২৮ বছর তিন মাসে পড়াশুনা শেষ করেছি। আমি মাত্র দুই বছরের মত সময় পেয়েছি। কিন্তু ওরা (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) পাচ্ছে ৫ থেকে ৭ বছর। এই বৈষম্যের কারণে আমি চাচ্ছি চাকুরিতে বয়সসীমা বৃদ্ধি হউক। এছাড়াও বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল; চাকুরিতে বয়সসীমা বৃদ্ধি করা।

এক প্রশ্নের জবাবে বিজিত সিকদার বলেন, ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখলেই জানতে পারবেন সেশনজট কেমন। গুটি কয়েক বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই সেশনজট রয়েছে।

আন্দোলনের যাত্রা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিন যখন স্পিকার ছিলেন; তখন তিনি বলেছিলেন চাকুরিতে বয়সসীমা ৩৫ করা দরকার। এরপর থেকেই আমাদের আন্দোলন শুরু হয়। যখন আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল; তখন তীব্র সেশনজট ছিল। সেই সময় যুক্তিককারণ থাকায় সবাই একত্রিত হয়েছি।

আন্দোলনে সফলতা প্রসঙ্গে বিজিত সিকদার বলেন, অবশ্যই আমরা আন্দোলনে সফল হব। কারণ বিশ্বের ১৯৫টা দেশের মধ্যে ১৬২টা দেশে ৩৫ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়সে চাকুরি আছে। না হওয়ার কিছু নেই।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সম্পর্কে ছাত্র পরিষদের সমন্বয়ক বলেন, এই আন্দোলনটা ২০১২ সাল থেকে যে আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনে সব শিক্ষার্থী। তাই সব শিক্ষার্থী সব সময় মাঠে আসতে পারে না। কিন্তু সব শিক্ষার্থীই এই দাবির পক্ষে।

জীবন থেকে চারটি বছর হারিয়েছে জানিয়ে বিজিত সিকদার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সেশনজোটের কারণে আমি চারটি বছর হারিয়েছি। কেন এর দায় আমি নিব। কিন্তু অন্য বিশ্ববিদ্যালয় চার থেকে ৫ বছর বেশি পাচ্ছে। আর এই বৈষম্যের কারণে আমরা দিন দিন হতাশ হচ্ছি। মানসিকভাস্যমে ভুগছি। শুধু মাত্র সেশন জোটের কারণে আমরা পরিবার ও নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারছি না।

এই বিভাগের আরও খবরঃ