website page counter সমাপনীতে প্রক্সি দিতে গিয়ে আনন্দ স্কুলের ৪০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার - শিক্ষাবার্তা ডট কম

শনিবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সমাপনীতে প্রক্সি দিতে গিয়ে আনন্দ স্কুলের ৪০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে নিজ বিদ্যালয়ের নাম পরিচয় গোপন করে (রক্স প্রকল্প) আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী সেজে পিইসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে দুটি কেন্দ্র হতে ৪০ জন শিক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বি.এস. ডাঙ্গী মডেল স. প্রা. বিদ্যালয় কেন্দ্রে কয়েকজন পরিক্ষার্থীকে সন্দেহ হলে তাদের প্রবেশপত্র যাচাই করে ভুয়া শিক্ষার্থী হওয়ায় ঐ কেন্দ্র হতে ১৮ জন ও অপর একটি কেন্দ্র চর হাজীগঞ্জ স.প্রা.বিদ্যালয় হতে ২২ জন ভুয়া শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ফারজানা নাসরীন। বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান পরীক্ষার দিন এ ঘটনা প্রকাশ পায়।

নির্বাহী ম্যাজিট্রেট জানান বিস্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে তিনি বিএস ডাঙ্গী বিদ্যালয় কেন্দ্রে সরোয়ার মেম্বারের বাড়ী আনন্দ স্কুলের পিইসি পরীক্ষার্থী নূরুন নাহার কে জিজ্ঞাসা করলে সে প্রক্সি দেওয়ার কথা স্বীকার করে। ঐ শিক্ষার্থী বলে সে মৌলভীর চর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার জে এসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে সে। এর পর একে একে ভুয়া ১৮ জন পরীক্ষার্থী সনাক্ত হয় যাদেও মধ্যে প্রথম ও ২য় শ্রেনীর শিক্ষার্থী রয়েছে। এরা হলো তাসমিম,তামান্না সুলতানা প্রবেশ পত্রে তার নাম বৃষ্টি আক্তার,রুমি আক্তার প্রবেশ পত্রে তার নাম মুন্নি আক্তার, মিলি আক্তার প্রবেশপত্রে তার নাম তানজিলা আক্তার, সোমাইয়া, সাজেদা, আক্তার, সাকিব, সিয়াম, জিহাদ, সাইফ, হাসিবুল, মিজানুর, সোহাগ, ইব্রাহিম, আবুসাইদ, ফাতেমা, মার্জিয়া।

চর হাজিগঞ্জ স: প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জনই ভুয়া শিক্ষার্থী এরা হলো- হৃদয় ফকির, সোহাগ প্রামানিক প্রবেশ পত্রে তার নাম সাব্বির শেখ, জান্নাত আক্তার, বন্যা আক্তার, বৈশাখী আক্তার, রাজু প্রামানিক, সেলিনা, আমেনা, জুই আক্তার, হাওয়া আক্তার,আখি আক্তার, সেখ সোলাইমান, সেক শিমুল, রিফাত বেপারী, ফরহাদ বেপারী, খুশি, ফাইজুল, রুপা রানী, দিপা রানী, ষষ্টী রানী, ঝর্না আক্তার, মোহনা আক্তার।

এ ব্যাপারে আনন্দ স্কুলের ট্রেনিং কোঅর্ডিনেটর(টিসি) বর্নালী বিশ্বাস বলেন আমি এসে ডি আর করা পেয়েছি। আমি কিছু জানি না। নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ফারজানা নাসরীন বলেন আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা কি করে প্রথম ও ২য় শ্রেনীতে পড়–য়া একজন শিক্ষার্থী পিইসি পরিক্ষায় প্রক্সি দিতে পারে। এদের মধ্যে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রয়েছে। যারা স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের রেগুলার শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন, সত্যতা পেয়ে ভুয়া পরীক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট যে সকল শিক্ষকরা এ কাজ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবরঃ