website page counter ভুয়া সনদে চাকরি করছেন ২ শিক্ষক - শিক্ষাবার্তা ডট কম

শুক্রবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভুয়া সনদে চাকরি করছেন ২ শিক্ষক

পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার বরদানগর আব্বাসিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ভুয়া সনদে বছরের পর বছর চাকরি করছেন দুই শিক্ষক। শুধু তাই নয়, একজন শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও জালিয়াতি করে এমপিওভুক্ত হয়েছেন সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদে। শিক্ষক দু’জন হলেন শরীরচর্চা শিক্ষক মাহফুজা আকতার ও সহকারী মৌলবি মো. খায়রুল আলম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সহকারী মৌলবি মো. খায়রুল ইসলাম ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট বরদানগর আব্বাসিয়া দাখিল মাদ্রাসায় যোগদান করেন। পরে শিক্ষক নিবন্ধনের ভুয়া সনদ নিয়ে কাজী খায়রুল আলম নামে এমপিওভুক্ত হন। সেই থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন তিনি। এদিকে শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে একই বছর ১৫ ডিসেম্বর মাদ্রাসায় যোগদান করেন মাহফুজা আকতার। পরে তিনিও শিক্ষক নিবন্ধনের ভুয়া সনদ এনে সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদে যোগদান দেখিয়ে এমপিওভুক্ত হন।

অথচ তার নিয়োগের সময় সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদে কোনো বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি এবং তাকে ওই পদে নিয়োগও দেওয়া হয়নি। জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি শিক্ষক নিবন্ধনের ভুয়া সনদ ও বিএড পাসের ভুয়া সনদ দিয়ে এমপিওভুক্ত হন। সেই থেকে তিনিও সরকারি অর্থ পকেটস্থ করে যাচ্ছেন।

অভিযোগ স্বীকার করে শরীরচর্চা বিষয়ক শিক্ষক মাহফুজা আক্তার ওরফে বিউটি বলেন, বিষয়টি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। নানান ঝামেলায় আর সংশোধন করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে বেতন হওার পর এটা নিয়ে আর ভাবা হয়নি। কখনও ভাবিনি এটা নিয়ে কথা উঠবে।

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত অন্য এক শিক্ষক সহকারী মৌলবি মোহামল্ফন্ধ খায়রুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহূত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে।

ওই মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের এ দুর্নীতির বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি মাদ্রাসার সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। জানা গেছে, সহকারী মৌলবি খায়রুল আলম সভাপতির নিকটাত্মীয়। এ কারণে তিনি মুখ খুলছেন না।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘ওই সময়ের নিয়োগ কমিটিই বিষয়টি ভালো বলতে পারবে। তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমি এ বিষয়ে কিছুই বলব না।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মগরেব আলী বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবরঃ