website page counter নিয়োগপ্রাপ্ত ৭৪ প্রাথমিক শিক্ষককে গেজেটেড কর্মকর্তা সুপারিশে রুল - শিক্ষাবার্তা ডট কম

সোমবার, ১৮ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নিয়োগপ্রাপ্ত ৭৪ প্রাথমিক শিক্ষককে গেজেটেড কর্মকর্তা সুপারিশে রুল

৩৬তম বিসিএসে দ্বিতীয় শ্রেণির (নন-ক্যাডার) কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার বা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশ করতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সাতজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

তারা জানান, ৭৪ জন প্রধান শিক্ষকের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (১৪ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ের গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ৩৬তম বিসিএসে দ্বিতীয় শ্রেণির (নন-ক্যাডার) কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার বা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশ না করার নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না এবং দ্বিতীয় শ্রেণির যেকোনো গেজেটেড পদে বা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার পদে কেন সুপারিশ করা হবে না তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

তিনি বলেন, রিট আবেদনকারীরা ৩৬তম বিসিএসে অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন এবং নন-ক্যাডারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০১০ (সংশোধনী ২০১৪) অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও গেজেটেড নয়।

অন্যদিকে ৩৬তম বিসিএসে (নন-ক্যাডার) অন্যান্য প্রার্থীরা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা পদে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন। কিন্তু রিটকারীদের নন গেজেটেড পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যা সমান অধিকারের পরিপন্থী। তাই মো. মাহবুব-উল-আলম, মিজানুর রহমান, জাকিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, আক্তারুজ্জামান, শামীম হোসেন, মাহমুদা আক্তারসহ ৭৪ জন হাইকোর্টে রিট করেন।

এই বিভাগের আরও খবরঃ