website page counter ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ হলো ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ - শিক্ষাবার্তা ডট কম

শনিবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ হলো ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’

সারাদেশের ২৫ ভেন্যুর মধ্যে ১১টিতে শেষ হলো স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয় পর্ব। সকল বিশ্ববিদ্যালয় পর্ব শেষে প্রকাশ করা হবে ২৫ ভেন্যুতে বিজয়ী ৭৫ দলের নাম।

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকৌশল ও প্রযক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপের বিশ্ববিদ্যালয় পর্ব। কুষ্টিয়ার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ। এ ছাড়াও আরো ১২ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিতব্য স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন www.s2s.startupbangladesh.gov.bd এ ঠিকানায়।

‘আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে শুরু হতে চলেছে শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা “স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ” এর দ্বিতীয় অধ্যায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এর অধীনে “উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প বা আইডিয়া প্রকল্প” এবং সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এর আওতাধীন দেশের শীর্ষস্থানীয় তরুণদের প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলা’ এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি আয়োজিত হবে। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হল দেশের অগ্রগতি এবং উন্নয়নে অবদান রাখতে যাদের উদ্ভাবনী পরিকল্পনা আছে এমন তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করা। এটি একটি জাতীয় প্রতিযোগিতা যা বিশেষভাবে পরিকল্পিত এবং বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সমাধানগুলোর আইডিয়াসমূহ বাস্তবে আনার জন্য উন্মুক্ত।

সারাদেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। এ ছাড়াও দেশের ১০০টির বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত বুথের মাধ্যমেও রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি ১৫ সেপ্টেম্বরে আরম্ভ হয় এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি আগামী অক্টোবর ২০১৯ এ অনুষ্ঠিত হবে। স্টার্টআপ ইনকিউবেশন এবং এদের উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি করার প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ফান্ডিং করা হবে এবং একই সাথে পুরো প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সমাপ্তকারী টিমগুলো দেশের পরবর্তী সফল এবং বৃহৎ স্টার্টআপ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগটি বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্টার্টআপ সংস্কৃতি প্রচার ও তাদের নিজস্ব সমাধানসমূহ উদ্ভাবন এবং অন্যকে চাকরি খোঁজার পরিবর্তে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে।

গত মে ২০১৯- এ “স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ” এর প্রথম অধ্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হয় যেখানে ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইন থেকে ১২০টি প্রকল্প বাছাই করার পরে উদ্যোক্তা, উদ্ভাবন এবং স্টার্ট-আপ বিষয়ক ২ দিনের প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হয় এবং পরবর্তীতে এদের মধ্য থেকে মোট ৩০ টি স্টার্টআপ আইডিয়া প্রকল্পের অফিসিয়াল `সিলেকশন কমিটি`র মুখোমুখি হয়। সবশেষে বিজয়ী হিসেবে চুড়ান্ত ১০ টি স্টার্টআপকে ১০ লক্ষ টাকা প্রি-সিড ফান্ড পুরস্কৃত করা হয় এবং বাকি ২০ টি স্টার্ট-আপকে মেনটরিং এবং ফান্ডিং প্রক্রিয়াটির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার অন্যতম স্তম্ভ হল একাডেমিক শিক্ষাকে সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগগুলোর সাথে যুক্ত করা। জাতীয়ভাবে ইনোভেশন কালচার ও অন্ট্রাপ্রেনরিয়াল সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের ভিত্তি গঠন করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

এই বিভাগের আরও খবরঃ